ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি। সাবলীল অভিনয় আর মিষ্টি হাসি দিয়ে ইতোমধ্যে ভক্তদের মনের রানী হয়ে আছেন এই নায়িকা। দর্শক নন্দিত এই অভিনেত্রীকে প্রায়ই দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের ছবি পোস্ট করেন। আর সেই সব ছবি ঘিরেই ঝড় উঠে ফেসবুকে। এবারো তার ব্যতিক্রম নয়।
এবার তিনি উত্তাপ ছড়ালেন সমুদ্রের বুকে। আর তার এই পথেই সঙ্গী ছিল খয়েরি রঙ-এর ঘোড়া। শনিবার বিকেলে পরী তার ফেসবুকে কিছু ছবি পোস্ট করেছেন। যেখানে দেখা গিয়েছে ঘোড়ার পিঠে চড়ে সমুদ্রের পাড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন এই নায়িকা। আর সেই পোস্টের নিচে অনেকেই সুন্দর, ওয়াও কিংবা বিভিন্ন স্টিকার দিয়ে কমেন্ট করছেন।
সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপে স্বামী তামিম হাসানকে নিয়ে অবকাশ যাপন করতে গিয়েছিলেন পরীমনি। আর ওখানেই পরীর এই লাস্যময়ী ছবিগুলো ফ্রেমবন্দি করেছেন তামিম হাসান।
এদিকে অনেকদিন ধরেই চিত্রনায়িকা পরীমনি ও সাংবাদিক তামিম হাসানের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন চলছিল। ফেসবুকে নানা সময় নিজেদের ঘুরাঘুরি, আড্ডা তথা আনন্দের সময় গুলোর অনেক ছবিই পোষ্ট করেছে তারা। তবে কখনোই সরাসরি এ বিষয়ে তারা মুখ খোলেননি। চলতি বছরের ভালোবাসা দিবসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তামিম পরীমনির সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ করেন। তামিম হাসান ফেসবুকে সিঙ্গেল থেকে ‘গট এ্যাংগেজড টু পরীমনি’ স্ট্যাটাস দেন।
স্বল্প ক্যারিয়ারে অনেকগুলো ছবিতে পরীমনি অভিনয় করলেও তাকে তারকা খ্যাতি এনে দেন নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম পরিচালিত ‘স্বপ্নজাল’ ছবিটি। ছবিটি মুক্তির পর নায়িকা থেকে অভিনেত্রী তকমা পান পরী।
সম্প্রতি শ্রীলংকার কলম্বোতে আগামী ২৯ মার্চ থেকে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব ২০১৯’। বাংলাদেশ হাইকমিশনারের উদ্যোগে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত হচ্ছে এ উৎসব। আর এই চলচ্চিত্র উৎসবেই প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে পরীমনি ও ইয়াশ রোহান অভিনীত ‘স্বপ্নজাল’ ছবিটি।
25 Mar 2019
হঠাৎ ধর্ম নিয়ে মুখ খুললেন ড. কামাল
ধর্মের নামে বৈষম্য আমাদের দেশে
নেই তবে ধর্মের ভিত্তিতে ঐক্যকে বিনষ্ট করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন।
তিনি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য ধর্মকে ব্যবহার করা নয়। কিন্তু কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী ক্ষমতাকে ধরে রাখতে ধর্মকে অপব্যবহার করছে। এই অপব্যবহার কারণে মানুষ তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সোমবার (২৫ মার্চ) দুপুরে জাতীয় প্রসক্লাব মিলনায়নে সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে
সন্ত্রাসী হামলায় আহত ও নিহতদের প্রতি শোক ও সংহতি প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ড. কামাল বলেন, স্বাধীনতার অর্জনগুলো ধরে রাখতে সম্প্রীতির মূল্যবোধকে ছড়িয়ে দিতে হবে। ধর্মের ভিত্তিতে ঐক্যকে বিনষ্ট করা সংবিধান সম্মত নয়।
অনেক ক্ষেত্রে মানুষের মাঝে বৈষম্য সৃষ্টি করতে ধর্মকে ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, সংবিধানে আছে ধর্মকে অপব্যবহার করা যাবে না। আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক। এই নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব সকল ধর্মের সাথে সম্প্রীতি গড়ে তোলা।
আমি জোর দিয়ে বলতে চাই মানুষের সকল অধিকারকে রক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান,
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক, সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নেই তবে ধর্মের ভিত্তিতে ঐক্যকে বিনষ্ট করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন।
তিনি বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য ধর্মকে ব্যবহার করা নয়। কিন্তু কিছু রাজনৈতিক গোষ্ঠী ক্ষমতাকে ধরে রাখতে ধর্মকে অপব্যবহার করছে। এই অপব্যবহার কারণে মানুষ তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সোমবার (২৫ মার্চ) দুপুরে জাতীয় প্রসক্লাব মিলনায়নে সম্প্রতি নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ মসজিদে
সন্ত্রাসী হামলায় আহত ও নিহতদের প্রতি শোক ও সংহতি প্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। ড. কামাল বলেন, স্বাধীনতার অর্জনগুলো ধরে রাখতে সম্প্রীতির মূল্যবোধকে ছড়িয়ে দিতে হবে। ধর্মের ভিত্তিতে ঐক্যকে বিনষ্ট করা সংবিধান সম্মত নয়।
অনেক ক্ষেত্রে মানুষের মাঝে বৈষম্য সৃষ্টি করতে ধর্মকে ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি বলেন, সংবিধানে আছে ধর্মকে অপব্যবহার করা যাবে না। আমরা স্বাধীন দেশের নাগরিক। এই নাগরিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব সকল ধর্মের সাথে সম্প্রীতি গড়ে তোলা।
আমি জোর দিয়ে বলতে চাই মানুষের সকল অধিকারকে রক্ষা করতে হবে। বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এসময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান,
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা জাফরুল্লাহ চৌধুরী, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, সংবিধান বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক, সাবেক মন্ত্রী পরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
২ হিন্দু কিশোরীকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে, উদ্ধারের নির্দেশ ইমরানের
পাকিস্তানে দুই হিন্দু কিশোরীর অপহরণের ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিলেন সে দেশের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তদন্তে এই ঘটনায় কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
হোলির দিন পাকিস্তানের সিন্ধ ঘোটকি জেলার দাহারকি তালুক থেকে দুই হিন্দু নাবালিকাকে অপহরণ করা হয়। পরে তাদের একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়, যেখানে মেয়ে দুটি দাবি করেছে যে স্বেচ্ছায় মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করেছে তারা। তবে তাদের এই বক্তব্য জোর করে নেওয়া হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। জোর করে তাদের ধর্মান্তরিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দুই তরুণীর ভাই।
সিন্ধ প্রদেশের ঘোকটি জেলায় বাড়ি থেকে একদল অপহরণকারী তাদের তুলে নিয়ে বিয়ের আয়োজন করে তারা। অপহরণের পর ওই দুই কিশোরীর বিয়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে সবার নজরে আসে ঘটনাটি।
তাছাড়া ভাইরাল হওয়া আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায় ওই দুই কিশোরী বলছেন যে, তাদেরকে কেউ জোর করেননি বরং তারা নিজের ইচ্ছেতেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী সোমবার এক টুইট বার্তায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সিন্ধ প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই দুই কিশোরী এখন পাঞ্জাবে আছে।
তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সিন্ধ ও পাঞ্জাবের প্রাদেশিক সরকার এ ঘটনায় নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাছাড়া এরকম ঘটনা যাতে আর কখনো না ঘটে সেজন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।’ শনিবার তথ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, দুই হিন্দু কিশোরীর ধর্মান্তরিত ও বাল্যবিবাহের ঘটনার তদন্তে ব্যবস্থা নেবে সরকার।
ঘটনার প্রতিবাদে মুখর হন সেদেশে বসবাসকারী হিন্দু ধর্মালম্বীরা। অভিযুক্তদের বিরুদ্বে শাস্তি দেয়ার দাবি তোলেন তারা। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে এ ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার হওয়ার অনুরোধ জানানো হয় তাদের পক্ষ থেকে। পাকিস্তানের বসবাসরত হিন্দুদের একটি সংগঠন বলছে, অপহৃত ওই দুই কিশোরী হলেন ১৩ বছর বয়সী রবিনা ও ১৫ বছর বয়সী রীনা।
এদিকে কিশোরী অপহরণের ঘটনায় পাকিস্তানে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনারের কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। এক টুইটে সংবাদপত্রে ওই ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে সুষমা স্বরাজ বলেন, ‘কিশোরী অপহরণের বিষয়ে ভারতের রাষ্ট্রদূতকে রিপোর্ট পাঠাতে বলেছি।’
হোলির দিন পাকিস্তানের সিন্ধ ঘোটকি জেলার দাহারকি তালুক থেকে দুই হিন্দু নাবালিকাকে অপহরণ করা হয়। পরে তাদের একটি ভিডিও প্রকাশিত হয়, যেখানে মেয়ে দুটি দাবি করেছে যে স্বেচ্ছায় মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করেছে তারা। তবে তাদের এই বক্তব্য জোর করে নেওয়া হয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। জোর করে তাদের ধর্মান্তরিত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন দুই তরুণীর ভাই।
সিন্ধ প্রদেশের ঘোকটি জেলায় বাড়ি থেকে একদল অপহরণকারী তাদের তুলে নিয়ে বিয়ের আয়োজন করে তারা। অপহরণের পর ওই দুই কিশোরীর বিয়ের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে সবার নজরে আসে ঘটনাটি।
তাছাড়া ভাইরাল হওয়া আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায় ওই দুই কিশোরী বলছেন যে, তাদেরকে কেউ জোর করেননি বরং তারা নিজের ইচ্ছেতেই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন। তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী সোমবার এক টুইট বার্তায় বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সিন্ধ প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ওই দুই কিশোরী এখন পাঞ্জাবে আছে।
তথ্যমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান সিন্ধ ও পাঞ্জাবের প্রাদেশিক সরকার এ ঘটনায় নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাছাড়া এরকম ঘটনা যাতে আর কখনো না ঘটে সেজন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।’ শনিবার তথ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, দুই হিন্দু কিশোরীর ধর্মান্তরিত ও বাল্যবিবাহের ঘটনার তদন্তে ব্যবস্থা নেবে সরকার।
ঘটনার প্রতিবাদে মুখর হন সেদেশে বসবাসকারী হিন্দু ধর্মালম্বীরা। অভিযুক্তদের বিরুদ্বে শাস্তি দেয়ার দাবি তোলেন তারা। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে এ ব্যাপারে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার হওয়ার অনুরোধ জানানো হয় তাদের পক্ষ থেকে। পাকিস্তানের বসবাসরত হিন্দুদের একটি সংগঠন বলছে, অপহৃত ওই দুই কিশোরী হলেন ১৩ বছর বয়সী রবিনা ও ১৫ বছর বয়সী রীনা।
এদিকে কিশোরী অপহরণের ঘটনায় পাকিস্তানে নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনারের কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। এক টুইটে সংবাদপত্রে ওই ঘটনা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে সুষমা স্বরাজ বলেন, ‘কিশোরী অপহরণের বিষয়ে ভারতের রাষ্ট্রদূতকে রিপোর্ট পাঠাতে বলেছি।’
ছাত্রদলের ট্রাম্পকার্ড ‘ভিপি নূর’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের তেমন কোন সাফল্য না থাকলেও তারা ভিপি নূরতে বেশ খুশি। তাদের ধারণা ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রভাব ও ক্ষমতা খর্ব হওয়ায় ক্যাম্পাসে নিজেদের অস্তিত্ব কিছুটা জানান দিতে পারবে ছাত্রদল। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ছাত্রদলের ট্রাম্পকার্ড হচ্ছেন ভিপি নূর।
একাধিক সূত্র জানান, ভিপি নুর ডাকসুর দায়িত্বভার নেয়ার পর ছাত্রদলের হল শাখার বেশ কয়েকজন নেতা দফায়-দফায় বৈঠক করেছেন নূরের সাথে। ছাত্রদল নূরের কাছে আর্জি জানিয়েছে, সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের যে কোন ন্যায্য দাবী আদায়ের আন্দোলনে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের পাশে থাকবে তারা। বিশেষ করে বিভিন্ন হল থেকে বহিরাগত উচ্ছেদের যে উদ্যোগ ডাকসু ভিপি নিয়েছেন তার প্রতি শতভাগ সমর্থন রয়েছে ছাত্রদলের।
ছাত্রদলের নেতারা বাংলা ইনসাইডারকে জানান, বিভিন্ন হলে বহিরাগত যারা আছেন অধিকাংশই ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী। হলের প্রভাব থেকে যদি বহিরাগতদের উচ্ছেদ করা সম্ভব হয় তাতে করে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। ছাত্রদল নেতাদের মতে, গত কয়েক বছর ছাত্রদল কোনভাবেই ঢাবি ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেনি। যে কারণে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও ছাত্রদলের পতাকাতলে টানতে পারেনি সংগঠনটি। তবে এবার ঢাবি ক্যাম্পাসে ঘুরে দাঁড়াতে চায় ছাত্রদল। আর তা ভিপি নূরের সমর্থন নিয়েই তা করবে তারা। রোববার মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের নেতারা জড়ো হয়ে ভিপি নূরকে সব ধরনের সহায়তা দেয়ার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।
এদিকে, আগামী মাস থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে নতুন কমিটি গঠনের কাজ শুরু করবে ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি। এরপর কাউন্সিল হবে ঢাবি শাখার। ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানান, বাম সংগঠনগুলোকে সাথে নিয়েই ক্যাম্পাসে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করবে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আগামী ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল যাতে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারে সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
একাধিক সূত্র জানান, ভিপি নুর ডাকসুর দায়িত্বভার নেয়ার পর ছাত্রদলের হল শাখার বেশ কয়েকজন নেতা দফায়-দফায় বৈঠক করেছেন নূরের সাথে। ছাত্রদল নূরের কাছে আর্জি জানিয়েছে, সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের যে কোন ন্যায্য দাবী আদায়ের আন্দোলনে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের পাশে থাকবে তারা। বিশেষ করে বিভিন্ন হল থেকে বহিরাগত উচ্ছেদের যে উদ্যোগ ডাকসু ভিপি নিয়েছেন তার প্রতি শতভাগ সমর্থন রয়েছে ছাত্রদলের।
ছাত্রদলের নেতারা বাংলা ইনসাইডারকে জানান, বিভিন্ন হলে বহিরাগত যারা আছেন অধিকাংশই ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী। হলের প্রভাব থেকে যদি বহিরাগতদের উচ্ছেদ করা সম্ভব হয় তাতে করে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। ছাত্রদল নেতাদের মতে, গত কয়েক বছর ছাত্রদল কোনভাবেই ঢাবি ক্যাম্পাসে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেনি। যে কারণে দল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও ছাত্রদলের পতাকাতলে টানতে পারেনি সংগঠনটি। তবে এবার ঢাবি ক্যাম্পাসে ঘুরে দাঁড়াতে চায় ছাত্রদল। আর তা ভিপি নূরের সমর্থন নিয়েই তা করবে তারা। রোববার মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রদলের নেতারা জড়ো হয়ে ভিপি নূরকে সব ধরনের সহায়তা দেয়ার অঙ্গিকার ব্যক্ত করেন।
এদিকে, আগামী মাস থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলে নতুন কমিটি গঠনের কাজ শুরু করবে ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি। এরপর কাউন্সিল হবে ঢাবি শাখার। ছাত্রদলের একাধিক নেতা জানান, বাম সংগঠনগুলোকে সাথে নিয়েই ক্যাম্পাসে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করবে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আগামী ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রদল যাতে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়তে পারে সে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রেমিকার আত্মহত্যার খবর শুনে বিষ পানে আত্মহত্যা করেছে নোমান ওরফে রুমন (২২)। সে উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের চাঁন্দপুর পশ্চিম পাড়া মুন্সী বাড়ীর আব্দুল হাকিমের ছেলে। গতকাল রবিবার ২৪ মার্চ দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ির এক ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেল চারটায় রুমনের প্রেমিকা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের পাশাকোট গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে রুমা আক্তার (১৮) নিজ ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। এ খবর শুনে রাতের কোন এক সময় ছাত্রবাসে রুমনও বিষ পান করে। এরপর আজ (২৫ মার্চ) সোমবার সকালে ঘুম থেকে উঠছেনা দেখে ছাত্রাবাসের অন্য ছাত্ররা তাকে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে রুমে গেলে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পায়।
এরপর তাকে দ্রুত স্থানীয় একটি বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে গতকাল রবিবার দুপুরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে রুমা। বিকেল চারটার দিকে ঝুলন্ত অবস্থায় রুমাকে দেখতে পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় মুন্সীরহাট নেছারিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এদিকে জানা যায়, রুমার সাথে রুমনের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল।
রুমার পরিবার জানায়, প্রেমঘটিত কারণেই রুমা আত্মহত্যা করেছে। এ ব্যাপারে রুমার মা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রুমন আমার মেয়ের সাথে প্রায়ই মোবাইলে কল দিয়ে কথা বলত। আট মাস আগে আমার মেয়ের সাথে রাগ করে রুমন বিষও খেয়েছিল। এখন আমার মেয়েই মারা গেল। আমার মেয়ের মৃত্যুর জন্য রুমনই দায়ী।’
এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি (তদন্ত) শুভরঞ্জন চাকমা বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে দুটি ঘটনাই প্রেমঘটিত আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। রুমার পরিবারের অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এদিকে রুমা এবং রুমন পাশ্ববর্তী মুন্সীরহাট প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান ডিগ্রী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেল চারটায় রুমনের প্রেমিকা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের পাশাকোট গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে রুমা আক্তার (১৮) নিজ ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। এ খবর শুনে রাতের কোন এক সময় ছাত্রবাসে রুমনও বিষ পান করে। এরপর আজ (২৫ মার্চ) সোমবার সকালে ঘুম থেকে উঠছেনা দেখে ছাত্রাবাসের অন্য ছাত্ররা তাকে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে রুমে গেলে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পায়।
এরপর তাকে দ্রুত স্থানীয় একটি বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে গতকাল রবিবার দুপুরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে রুমা। বিকেল চারটার দিকে ঝুলন্ত অবস্থায় রুমাকে দেখতে পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় মুন্সীরহাট নেছারিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এদিকে জানা যায়, রুমার সাথে রুমনের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল।
রুমার পরিবার জানায়, প্রেমঘটিত কারণেই রুমা আত্মহত্যা করেছে। এ ব্যাপারে রুমার মা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রুমন আমার মেয়ের সাথে প্রায়ই মোবাইলে কল দিয়ে কথা বলত। আট মাস আগে আমার মেয়ের সাথে রাগ করে রুমন বিষও খেয়েছিল। এখন আমার মেয়েই মারা গেল। আমার মেয়ের মৃত্যুর জন্য রুমনই দায়ী।’
এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি (তদন্ত) শুভরঞ্জন চাকমা বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে দুটি ঘটনাই প্রেমঘটিত আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। রুমার পরিবারের অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এদিকে রুমা এবং রুমন পাশ্ববর্তী মুন্সীরহাট প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান ডিগ্রী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
বাসের চাপায় আবারো রক্তাক্ত রাজধানীর রাজপথ
আবারো রক্তাক্ত- বাসচাপায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবরারের প্রাণ হারানোর এক সপ্তাহ পার হতে না হতেই আবারো রক্তাক্ত হলো রাজধানীর সড়ক। পশ্চিম শেওড়াপাড়া এলাকায় তেঁতুলিয়া পরিবহনের একটি বাসের চাপায় এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে একটি মিনিবাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়।
আরোহীর বুকের ওপর দিয়ে বাসটি চলে যাওয়ায় দেহটি থেঁতলে যায়। ওই মোটরসাইকেল আরোহীর নাম নুরুল ইসলাম শান্ত (৩০)। তাকে উদ্ধার করে মিরপুর ১০ নম্বর আল হেলাল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ফিরিয়ে দেন। পরে সেখান থেকে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের (পশ্চিম) অতিরিক্ত উপকমিশনার মনজুর। তিনি বলেন, তেঁতুলিয়া পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেল আরোহীকে চাপা দেয়। মনজুর মোর্শেদ জানান, বাসের চালককে আটক করে কাফরুল থানায় নেওয়া হয়েছে। বাসটিও জব্দ করা হয়েছে।
বাসটি ফিটনেস সনদ ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে কি না, তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রাথমিক যাচাইয়ে কাগজপত্র ঠিকঠাক পাওয়া গেছে। এর আগে গত ১৯ মার্চ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আবরার নামে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বাসচাপায় শিক্ষার্থী নিহত হন। যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে সুপ্রভাত নামে একটি বাস তাকে চাপা দেয়।
আরোহীর বুকের ওপর দিয়ে বাসটি চলে যাওয়ায় দেহটি থেঁতলে যায়। ওই মোটরসাইকেল আরোহীর নাম নুরুল ইসলাম শান্ত (৩০)। তাকে উদ্ধার করে মিরপুর ১০ নম্বর আল হেলাল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ফিরিয়ে দেন। পরে সেখান থেকে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের (পশ্চিম) অতিরিক্ত উপকমিশনার মনজুর। তিনি বলেন, তেঁতুলিয়া পরিবহনের একটি বাস মোটরসাইকেল আরোহীকে চাপা দেয়। মনজুর মোর্শেদ জানান, বাসের চালককে আটক করে কাফরুল থানায় নেওয়া হয়েছে। বাসটিও জব্দ করা হয়েছে।
বাসটি ফিটনেস সনদ ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স আছে কি না, তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রাথমিক যাচাইয়ে কাগজপত্র ঠিকঠাক পাওয়া গেছে। এর আগে গত ১৯ মার্চ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আবরার নামে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বাসচাপায় শিক্ষার্থী নিহত হন। যমুনা ফিউচার পার্কের সামনে সুপ্রভাত নামে একটি বাস তাকে চাপা দেয়।
প্রেম করার ‘অপরাধে’ ১৯ দিন শেকলবন্দী, অবশেষে মুক্তি
অবশেষে মুক্তি- প্রেম করার ‘অপরাধে’ বন্দী হয়েছিলেন এনামুল হক মানিক (১৯)। তার বাবা রফিকুল ইসলাম নিজেই তাকে পায়ে শেকল বেঁধে ১৯ দিন ঘরবন্দী করে রেখেছিলেন। অবশেষে পুলিশের হস্তক্ষেপে মুক্তি পেলেন তিনি।
ঘটনাটি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের গন্ধর্নপুর গ্রামের। পুলিশ এনামুলে বাবা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে গেছে।
জানা গেছে, পীরগঞ্জ শাহ আব্দুর রউফ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র এনামুল হক মানিক তাদের পাশের গ্রামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিষয়টি এনামুলের বাবা রফিকুল ইসলাম মেনে নিতে পারেননি। গত ৫ মার্চ তিনি ছেলেকে ডেকে পায়ে শেকল বেঁধে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন। এনামুলের খাবার থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ ওই ঘরের ভেতরেই করতে হতো।
১৯ দিন এনামুলকে ঘরবন্দী করে রাখার বিষয়টি রোববার জানাজানি হয়ে যায়। এলাকাবাসী ঘটনার ব্যাপারে পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ গিয়ে এনামুলকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে।
এনামুলের বড় ভাইয়ের স্ত্রী লীনা বেগম জানান, পাশের গ্রামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ায় তার দেবরের পায়ে শেকল বেঁধে ঘরবন্দী করে রাখেন শ্বশুর। আজ পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।
সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম জানান, এনামুল ও ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক জানার পর তাদের পরিবারে গণ্ডগোল হয়। মেয়েটি তার কাছে এনামুলকে বিয়ে করার দাবি নিয়ে আসে। পরে তিনি গ্রামের কয়েকজন কর্তাব্যক্তি নিয়ে রফিকুল ইসলামের বাড়ি গিয়ে দুজনের বিয়ের জন্য আলোচনা করেন। কিন্তু তিনি রাগান্বিত হয়ে ছেলেকে শেকল বেঁধে ঘরবন্দী করে ফেলেন।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুরেশ চন্দ্র আমাদের সময়কে জানান, গ্রামবাসী ঘটনার ব্যাপারে জানালে তিনি ফোর্স পাঠিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনামুলের বাবা ও ভাইকে থানায় আনা হয়েছে।
ঘটনাটি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের গন্ধর্নপুর গ্রামের। পুলিশ এনামুলে বাবা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে গেছে।
জানা গেছে, পীরগঞ্জ শাহ আব্দুর রউফ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র এনামুল হক মানিক তাদের পাশের গ্রামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিষয়টি এনামুলের বাবা রফিকুল ইসলাম মেনে নিতে পারেননি। গত ৫ মার্চ তিনি ছেলেকে ডেকে পায়ে শেকল বেঁধে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন। এনামুলের খাবার থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ ওই ঘরের ভেতরেই করতে হতো।
১৯ দিন এনামুলকে ঘরবন্দী করে রাখার বিষয়টি রোববার জানাজানি হয়ে যায়। এলাকাবাসী ঘটনার ব্যাপারে পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ গিয়ে এনামুলকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে।
এনামুলের বড় ভাইয়ের স্ত্রী লীনা বেগম জানান, পাশের গ্রামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ায় তার দেবরের পায়ে শেকল বেঁধে ঘরবন্দী করে রাখেন শ্বশুর। আজ পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।
সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম জানান, এনামুল ও ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক জানার পর তাদের পরিবারে গণ্ডগোল হয়। মেয়েটি তার কাছে এনামুলকে বিয়ে করার দাবি নিয়ে আসে। পরে তিনি গ্রামের কয়েকজন কর্তাব্যক্তি নিয়ে রফিকুল ইসলামের বাড়ি গিয়ে দুজনের বিয়ের জন্য আলোচনা করেন। কিন্তু তিনি রাগান্বিত হয়ে ছেলেকে শেকল বেঁধে ঘরবন্দী করে ফেলেন।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুরেশ চন্দ্র আমাদের সময়কে জানান, গ্রামবাসী ঘটনার ব্যাপারে জানালে তিনি ফোর্স পাঠিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনামুলের বাবা ও ভাইকে থানায় আনা হয়েছে।
তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন যারা
আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান হলেন যারা
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে রাব্বুল হোসেন, নাচোলে আব্দুল কাদের ও গোমস্তাপুরে হুমায়ুন রেজা; রংপুর সদরে নাছিমা জামান ববি ও মিঠাপুকুরে জাকির হোসেন; চুয়াডাঙ্গা সদরে আসাদুল হক বিশ্বাস; মাগুরা সদরে আবু নাসির বাবলু; নড়াইল সদরে নিজাম উদ্দিন খান নিলু ও কালিয়ায় কৃষ্ণপদ ঘোষ; সাতক্ষীরা সদরে আসাদুজ্জামান বাবু, তালায় ঘোষ সনৎ কুমার, আশাশুনিতে এবিএম মোস্তাকিম, দেবহাটায় আবদুল গণি ও শ্যামনগরে এসএম আতাউল হক দোলন; কুষ্টিয়া সদরে আতাউর রহমান আতা (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), দৌলতপুরে অ্যাডভোকেট এজাজ আহমেদ মামুন, মিরপুরে কামরুল আরেফিন, ভেড়ামারায় আক্তারুজ্জামান মিঠু, কুমারখালীতে আবদুল মান্নান খান, খোকসায় সদর উদ্দিন খান; মেহেরপুরের গাংনীতে এম এ খালেক; ঝিনাইদহ সদরে অ্যাডভোকেট আব্দুর রশিদ ও কালীগঞ্জে মো. জাহাঙ্গীর সিদ্দিক (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়);
বরিশালের উজিরপুরে আব্দুল মজিদ সিকদার বাচ্চু ও বাবুগঞ্জে কাজী ইমদাদুল হক দুলাল; ঝালকাঠি সদরে খান আরিফুর রহমান, রাজাপুরে মো. মনিরুজ্জামান, কাঁঠালিয়ায় মো. এমাদুল হক মনির ও নলছিটিতে সিদ্দিকুর রহমান (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়); কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ইয়াছির মিয়া, ভৈরবে সায়দুল্লাহ মিয়া, পাকুন্দিয়ায় রফিকুল ইসলাম রেনু, করিমগঞ্জে নাসিরুল ইসলাম খান আওলাদ, ইটনায় কামরুল হাসান, অষ্টগ্রামে মো. শহীদুল ইসলাম জেমস ও মিঠামইনে আছিয়া আলম (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়); চাঁদপুর সদরে নূরুল ইসলাম, শাহরাস্তিতে ফরিদুল্লাহ চৌধুরী, ফরিদগঞ্জে জাহিদুল ইসলাম রোমান ও কচুয়ায় শাহজাহান শিশির; লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে মনির হোসেন চৌধুরী ও রায়পুরে মামুনুর রশিদ;
চট্টগ্রামের পটিয়ায় মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, বোয়ালখালীতে নূরুল আলম ও বাঁশখালীতে চৌধুরী মো. গালিব; কক্সবাজারের উখিয়ায় অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী; শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে এএসএম আব্দুল্লাহ হেল ওয়ারেজ নাঈম; মাদারীপুরের রাজৈরে মোতালেব মিয়া ও কালকিনিতে মীর গোলাম ফারুক (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়); মানিকগঞ্জের ঘিওরে হাবিবুর রহমান ও দৌলতপুরে নুরুল ইসলাম রাজা; নরসিংদীর শিবপুরে হারুনুর রশিদ খাঁন, মনোহরদীতে সাইফুল ইসলাম খাঁন বীরু ও বেলাবতে শমসের জামান ভূইয়া রিটন, গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আমানত হোসেন খান ও কালীগঞ্জে মোয়াজ্জেম হোসেন (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে আবুল কালাম আজাদ ও গোয়ালন্দে মো. নুরুল ইসলাম (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্যদিকে শরীয়তপুরের ছয়টি উপজেলার মধ্যে পাঁচটিতে নির্বাচনের আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এঁরা হলেন শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আবুল হাসেম তপাদার, জাজিরা উপজেলায় মোবারক আলী শিকদার, নড়িয়া উপজেলায় একেএম ইসমাইল হক, ভেদরগঞ্জ উপজেলায় হুমায়ুন কবির মোল্যা ও ডামুড্যা উপজেলায় আলমগীর হোসেন মাঝি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আরও নির্বাচিত হয়েছেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুছ, দক্ষিণ উপজেলায় এইচএম গিয়াস উদ্দিন ও হাজীগঞ্জ উপজেলায় গাজী মো. মাইনুদ্দিন।
বরিশালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সদরে আলহাজ সাইদুর রহমান রিন্টু, বানারীপাড়ায় মো. গোলাম ফারুক, গৌরনদীতে সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী, আগৈলঝাড়ায় আব্দুল রইচ সেরনিয়াবাত, মুলাদীতে তারিকুল ইসলাম মিঠু ও বাকেরগঞ্জে মোহাম্মদ শামসুল আলম চুন্নু। ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
মেহেরপুর সদর উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ইয়ারুল ইসলাম ও মুজিবনগরে জিয়া উদ্দিন বিশ্বাস। মানিকগঞ্জে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের ইসরাফিল হোসেন, সাটুরিয়ায় আবদুল মজিদ, শিবালয়ে রেজাউর রহমান জানু ও হরিরামপুরে দেওয়ান সাইদুর রহমান।
আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা হলেন- চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় আয়ুব হোসেন, দামুড়হুদায় আলী মুনছুর বাবু ও জীবননগরে হাফিজুর রহমান; মাগুরার শ্রীপুরে মাহমুদুল গণি শাহীন, মহম্মদপুরে আব্দুল্লাহেল কাফি ও শালিখায় অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন; নড়াইলের লোহাগড়ায় শিকদার আব্দুল হান্নান রুনু; সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে সাঈদ মেহেদী ও কলারোয়ায় আমিনুল ইসলাম লাল্টু; ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন; লক্ষ্মীপুর সদরে একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু, রামগতিতে শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল ও কমলনগরে মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ বাপ্পী; বরিশালের হিজলায় বেলায়েত হোসেন ঢালী; নরসিংদীর রায়পুরায় সাইফুল আবদুস সাদেক; কিশোরগঞ্জ সদরে মামুন আল মাসুদ খান, হোসেনপুরে মোহাম্মদ সোহেল ও নিকলীতে রুহুল কুদ্দুছ ভুইয়া জনি; শেরপুরের শ্রীবরদীতে এডিএম শহীদুল ইসলাম ও নালিতাবাড়ীতে মোকসেদুর রহমান লেবু;
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে আব্দুর জব্বার চৌধুরী; কক্সবাজারের পেকুয়ায় জাহাঙ্গীর আলম, মহেশখালীতে শরীফ বাদশা, রামুতে সোহেল সরওয়ার কাজল ও টেকনাফে নূরুল আলম; মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে মুশফিকুর রহমান হান্নান, শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে ফজলুর রহমান, রাজবাড়ী সদরে ইমদাদুল হক বিশ্বাস ও পাংশায় ফরিদ হাসান ওদুদ, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে কামাল উদ্দিন শিকদার ও শ্রীপুরে অ্যাডভোকেট শামসুল আলম প্রধান উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
স্বতন্ত্রভাবে বিজয়ী পাঁচ
গোপালগঞ্জের পাঁচটি উপজেলা নির্বাচনে এবার দলীয় প্রতীক বরাদ্দ করেনি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন আওয়ামী লীগ নেতারা। পাঁচটি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন সদরে শেখ লুৎফার রহমান বাচ্চু, কোটালীপাড়ায় বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস, টুঙ্গিপাড়ায় মো. সোলায়মান বিশ্বাস, মুকসুদপুরে মো. কাদির হোসেন মিয়া ও কাশিয়ানিতে সুব্রত ঠাকুর হিল্টু।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে রাব্বুল হোসেন, নাচোলে আব্দুল কাদের ও গোমস্তাপুরে হুমায়ুন রেজা; রংপুর সদরে নাছিমা জামান ববি ও মিঠাপুকুরে জাকির হোসেন; চুয়াডাঙ্গা সদরে আসাদুল হক বিশ্বাস; মাগুরা সদরে আবু নাসির বাবলু; নড়াইল সদরে নিজাম উদ্দিন খান নিলু ও কালিয়ায় কৃষ্ণপদ ঘোষ; সাতক্ষীরা সদরে আসাদুজ্জামান বাবু, তালায় ঘোষ সনৎ কুমার, আশাশুনিতে এবিএম মোস্তাকিম, দেবহাটায় আবদুল গণি ও শ্যামনগরে এসএম আতাউল হক দোলন; কুষ্টিয়া সদরে আতাউর রহমান আতা (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), দৌলতপুরে অ্যাডভোকেট এজাজ আহমেদ মামুন, মিরপুরে কামরুল আরেফিন, ভেড়ামারায় আক্তারুজ্জামান মিঠু, কুমারখালীতে আবদুল মান্নান খান, খোকসায় সদর উদ্দিন খান; মেহেরপুরের গাংনীতে এম এ খালেক; ঝিনাইদহ সদরে অ্যাডভোকেট আব্দুর রশিদ ও কালীগঞ্জে মো. জাহাঙ্গীর সিদ্দিক (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়);
বরিশালের উজিরপুরে আব্দুল মজিদ সিকদার বাচ্চু ও বাবুগঞ্জে কাজী ইমদাদুল হক দুলাল; ঝালকাঠি সদরে খান আরিফুর রহমান, রাজাপুরে মো. মনিরুজ্জামান, কাঁঠালিয়ায় মো. এমাদুল হক মনির ও নলছিটিতে সিদ্দিকুর রহমান (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়); কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে ইয়াছির মিয়া, ভৈরবে সায়দুল্লাহ মিয়া, পাকুন্দিয়ায় রফিকুল ইসলাম রেনু, করিমগঞ্জে নাসিরুল ইসলাম খান আওলাদ, ইটনায় কামরুল হাসান, অষ্টগ্রামে মো. শহীদুল ইসলাম জেমস ও মিঠামইনে আছিয়া আলম (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়); চাঁদপুর সদরে নূরুল ইসলাম, শাহরাস্তিতে ফরিদুল্লাহ চৌধুরী, ফরিদগঞ্জে জাহিদুল ইসলাম রোমান ও কচুয়ায় শাহজাহান শিশির; লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে মনির হোসেন চৌধুরী ও রায়পুরে মামুনুর রশিদ;
চট্টগ্রামের পটিয়ায় মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, বোয়ালখালীতে নূরুল আলম ও বাঁশখালীতে চৌধুরী মো. গালিব; কক্সবাজারের উখিয়ায় অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী; শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে এএসএম আব্দুল্লাহ হেল ওয়ারেজ নাঈম; মাদারীপুরের রাজৈরে মোতালেব মিয়া ও কালকিনিতে মীর গোলাম ফারুক (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়); মানিকগঞ্জের ঘিওরে হাবিবুর রহমান ও দৌলতপুরে নুরুল ইসলাম রাজা; নরসিংদীর শিবপুরে হারুনুর রশিদ খাঁন, মনোহরদীতে সাইফুল ইসলাম খাঁন বীরু ও বেলাবতে শমসের জামান ভূইয়া রিটন, গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আমানত হোসেন খান ও কালীগঞ্জে মোয়াজ্জেম হোসেন (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়), রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে আবুল কালাম আজাদ ও গোয়ালন্দে মো. নুরুল ইসলাম (বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্যদিকে শরীয়তপুরের ছয়টি উপজেলার মধ্যে পাঁচটিতে নির্বাচনের আগে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এঁরা হলেন শরীয়তপুর সদর উপজেলায় আবুল হাসেম তপাদার, জাজিরা উপজেলায় মোবারক আলী শিকদার, নড়িয়া উপজেলায় একেএম ইসমাইল হক, ভেদরগঞ্জ উপজেলায় হুমায়ুন কবির মোল্যা ও ডামুড্যা উপজেলায় আলমগীর হোসেন মাঝি। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আরও নির্বাচিত হয়েছেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকার প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুছ, দক্ষিণ উপজেলায় এইচএম গিয়াস উদ্দিন ও হাজীগঞ্জ উপজেলায় গাজী মো. মাইনুদ্দিন।
বরিশালে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সদরে আলহাজ সাইদুর রহমান রিন্টু, বানারীপাড়ায় মো. গোলাম ফারুক, গৌরনদীতে সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী, আগৈলঝাড়ায় আব্দুল রইচ সেরনিয়াবাত, মুলাদীতে তারিকুল ইসলাম মিঠু ও বাকেরগঞ্জে মোহাম্মদ শামসুল আলম চুন্নু। ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার আওয়ামী লীগের আবুল কালাম আজাদও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
মেহেরপুর সদর উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন ইয়ারুল ইসলাম ও মুজিবনগরে জিয়া উদ্দিন বিশ্বাস। মানিকগঞ্জে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের ইসরাফিল হোসেন, সাটুরিয়ায় আবদুল মজিদ, শিবালয়ে রেজাউর রহমান জানু ও হরিরামপুরে দেওয়ান সাইদুর রহমান।
আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত চেয়ারম্যানরা হলেন- চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় আয়ুব হোসেন, দামুড়হুদায় আলী মুনছুর বাবু ও জীবননগরে হাফিজুর রহমান; মাগুরার শ্রীপুরে মাহমুদুল গণি শাহীন, মহম্মদপুরে আব্দুল্লাহেল কাফি ও শালিখায় অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন; নড়াইলের লোহাগড়ায় শিকদার আব্দুল হান্নান রুনু; সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে সাঈদ মেহেদী ও কলারোয়ায় আমিনুল ইসলাম লাল্টু; ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন; লক্ষ্মীপুর সদরে একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু, রামগতিতে শরাফ উদ্দিন আজাদ সোহেল ও কমলনগরে মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ বাপ্পী; বরিশালের হিজলায় বেলায়েত হোসেন ঢালী; নরসিংদীর রায়পুরায় সাইফুল আবদুস সাদেক; কিশোরগঞ্জ সদরে মামুন আল মাসুদ খান, হোসেনপুরে মোহাম্মদ সোহেল ও নিকলীতে রুহুল কুদ্দুছ ভুইয়া জনি; শেরপুরের শ্রীবরদীতে এডিএম শহীদুল ইসলাম ও নালিতাবাড়ীতে মোকসেদুর রহমান লেবু;
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে আব্দুর জব্বার চৌধুরী; কক্সবাজারের পেকুয়ায় জাহাঙ্গীর আলম, মহেশখালীতে শরীফ বাদশা, রামুতে সোহেল সরওয়ার কাজল ও টেকনাফে নূরুল আলম; মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে মুশফিকুর রহমান হান্নান, শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে ফজলুর রহমান, রাজবাড়ী সদরে ইমদাদুল হক বিশ্বাস ও পাংশায় ফরিদ হাসান ওদুদ, গাজীপুরের কালিয়াকৈরে কামাল উদ্দিন শিকদার ও শ্রীপুরে অ্যাডভোকেট শামসুল আলম প্রধান উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
স্বতন্ত্রভাবে বিজয়ী পাঁচ
গোপালগঞ্জের পাঁচটি উপজেলা নির্বাচনে এবার দলীয় প্রতীক বরাদ্দ করেনি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন আওয়ামী লীগ নেতারা। পাঁচটি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন সদরে শেখ লুৎফার রহমান বাচ্চু, কোটালীপাড়ায় বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস, টুঙ্গিপাড়ায় মো. সোলায়মান বিশ্বাস, মুকসুদপুরে মো. কাদির হোসেন মিয়া ও কাশিয়ানিতে সুব্রত ঠাকুর হিল্টু।
সমৃদ্ধ দেশ গড়তেই বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু: প্রধানমন্ত্রী
বঙ্গবন্ধু তাঁর পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করতে পারলে স্বাধীনতার কয়েক বছরের মধ্যেই উন্নত দেশ হতো। সমৃদ্ধ দেশ গড়তেই বাকশাল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবসের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেতে জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্বাধীনতা পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
স্বাধীনতার সুফল এদেশের জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, `ক্ষমতায় এসেই দেশকে আর্থ সামাজিকভাবে উন্নত করার জন্য নানান ধরনের পদক্ষেপ নেয় সরকার। এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ফলেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে।`
তিনি আরও বলেন, ‘দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দেশকে উন্নয়নের রোল মডেলের দেশে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছে এ সরকার।’ তার মতে, `সততাই সব থেকে বড় শক্তি। বাংলাদেশকে এখন কেউ করুনার চোখে নয়, বরং সম্মানে চোখে দেখে।`
শেখ হাসিনা বলেন, `বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সামনে রেখে গ্রাম পর্যায়ে উন্নয়নের ধারা পৌঁছে দিচ্ছে বর্তমান সরকার। এ সরকারের প্রচেষ্টা রয়েছে মানুষের জীবনযাত্রা মান উন্নয়ন করা।`
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্ব স্ব ক্ষেত্রে গৌরবময় ও অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৯ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।
স্বাধীনতার সুফল এদেশের জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, `ক্ষমতায় এসেই দেশকে আর্থ সামাজিকভাবে উন্নত করার জন্য নানান ধরনের পদক্ষেপ নেয় সরকার। এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়নের ফলেই বাংলাদেশ আজ উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছে।`
তিনি আরও বলেন, ‘দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়া দেশকে উন্নয়নের রোল মডেলের দেশে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছে এ সরকার।’ তার মতে, `সততাই সব থেকে বড় শক্তি। বাংলাদেশকে এখন কেউ করুনার চোখে নয়, বরং সম্মানে চোখে দেখে।`
শেখ হাসিনা বলেন, `বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে সামনে রেখে গ্রাম পর্যায়ে উন্নয়নের ধারা পৌঁছে দিচ্ছে বর্তমান সরকার। এ সরকারের প্রচেষ্টা রয়েছে মানুষের জীবনযাত্রা মান উন্নয়ন করা।`
এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে স্ব স্ব ক্ষেত্রে গৌরবময় ও অসামান্য অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৩ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও এক প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৯ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।
মোটেও খুশি নন জিএম কাদের
ব্যর্থতার অভিযোগে দলের কো-চেয়ারম্যান পদ এবং জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতার পদ থেকে জিএম কাদেরকে অব্যাহতি দেয়ায় পার্টি চেয়ারম্যান এইচএম এরশাদের উপর বিশেষ নাখোশ হয়েছেন জিএম কাদের। নিজের ব্যর্থতার দায় কোনভাবেই মানতে নারাজ তিনি। বাংলা ইনসাইডারকে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে প্রেসকে মিথ্যা তথ্য দেয়া হয়েছে, আমার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগ আনা হয়েছে যা সর্বস্ব মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, আমি যতদিন কো-চেয়ারম্যান কিংবা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলাম ততদিন জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক কার্যক্রম অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হয়েছে।
তৃণমমূলের নেতা-কর্মীদের সাথেও আমার প্রতিনিয়ত যোগাযোগ ছিল। বরঞ্চ এখানে সাহেব-বিবির খেলা হয়েছে। অদৃশ্য সুতোর টানে সবকিছু করা হয়েছে। জাতীয় পার্টিকে চীরতরে ধ্বংস করার জন্য যা প্রয়োজন ছিল সেটাই করা হয়েছে। তিনি বলেন, এবার আমরা প্রতিজ্ঞা করেছিলাম সংসদে বিরোধী দল হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখবো। কিন্তু সেটা কি বিরোধী দল এখন করতে পারছে? তিনি বলেন, আজ্ঞাবহ বিরোধী দল দিয়ে জনগণের কোন কল্যাণ সাধন সম্ভব হয়। বিরোধী দলকে ওয়াচ ডগের ভূমিকা পালন করতে হবে-আর এটার জন্য হাঁত-পা খুলে দিতে হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে বর্ষীয়ান এবং ক্লিন ইমেজের অধিকারী এ সংসদ সদস্য বলেন, একটি দল যদি সংসদে স্বতন্ত্র ভূমিকা রাখতে না পারে সেখানে শত কোটি টাকা খরচ করে সাংসদদের বক্তব্য দেয়ার প্রয়োজন কী? তবে বর্তমান বিরোধী দলকে আরো সোচ্চার এবং কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান একাদশ সংসদের বিরোধী দলীয় এ সংসদ সদস্য। অনেকটা ক্ষোভমিশ্রিত কণ্ঠে জিএম কাদের বলেন, রাজনীতি বলতে যা শিখেছি এখন দেখছি আসলে রাজনীতিটা তা নয়। এখন রাজনীতি কূটকৌশলে ভরপুর।
তৃণমমূলের নেতা-কর্মীদের সাথেও আমার প্রতিনিয়ত যোগাযোগ ছিল। বরঞ্চ এখানে সাহেব-বিবির খেলা হয়েছে। অদৃশ্য সুতোর টানে সবকিছু করা হয়েছে। জাতীয় পার্টিকে চীরতরে ধ্বংস করার জন্য যা প্রয়োজন ছিল সেটাই করা হয়েছে। তিনি বলেন, এবার আমরা প্রতিজ্ঞা করেছিলাম সংসদে বিরোধী দল হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখবো। কিন্তু সেটা কি বিরোধী দল এখন করতে পারছে? তিনি বলেন, আজ্ঞাবহ বিরোধী দল দিয়ে জনগণের কোন কল্যাণ সাধন সম্ভব হয়। বিরোধী দলকে ওয়াচ ডগের ভূমিকা পালন করতে হবে-আর এটার জন্য হাঁত-পা খুলে দিতে হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে বর্ষীয়ান এবং ক্লিন ইমেজের অধিকারী এ সংসদ সদস্য বলেন, একটি দল যদি সংসদে স্বতন্ত্র ভূমিকা রাখতে না পারে সেখানে শত কোটি টাকা খরচ করে সাংসদদের বক্তব্য দেয়ার প্রয়োজন কী? তবে বর্তমান বিরোধী দলকে আরো সোচ্চার এবং কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান একাদশ সংসদের বিরোধী দলীয় এ সংসদ সদস্য। অনেকটা ক্ষোভমিশ্রিত কণ্ঠে জিএম কাদের বলেন, রাজনীতি বলতে যা শিখেছি এখন দেখছি আসলে রাজনীতিটা তা নয়। এখন রাজনীতি কূটকৌশলে ভরপুর।
25 Jan 2019
আবেদনময়ী ঋতুপর্ণার বিশেষ বার্তা
অভিনেত্রী হিসেবেই নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। অভিনয়ের পাশাপাশি ছবি প্রযোজনাও করেছেন তিনি।
সামাজিক দায়িত্বের কথাও সব সময় মনে রেখেছেন এ অভিনেত্রী। সম্প্রতি ‘দ্য ন্যাশনাল গার্ল চাইল্ড ডে’ উপলক্ষে নিজের মেয়ের সঙ্গে একটি ছবি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন তিনি। দিয়েছেন একটি বিশেষ বার্তাও। ঋতুপর্ণার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ঘুরে দেখা গেছে, মেয়ে ঋষণার সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি।
ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমি মেয়ে হিসেবে জন্মেছি বলে গর্বিত। ঋষণা যখন আমার জীবনে এলো, একজন মহিলা হিসেবে সে মুহূর্তটাও খুব গর্বের ছিল। কন্যা সন্তানের ক্ষমতায়নের জন্য জাতিগতভাবে আমাদের একসঙ্গে দাঁড়ানো উচিত।’ ওপার বাংলায় প্রতিবছর ২৪ জানুয়ারি পালিত হয় ‘দ্য ন্যাশনাল গার্ল চাইল্ড ডে’।
সে দেশে এখনো কন্যাভ্রুণ হত্যার মতো ঘটনা ঘটে প্রতিনিয়ত। মেয়েরা এখনো পিছিয়ে পড়া শ্রেণি। সেই ভাবনার বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের মতামত শেয়ার করেছেন ঋতুপর্ণা। ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। এদিকে, ৮ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে ঋতুপর্ণা অভিনীত নতুন ছবি ‘আহা রে’।
রঞ্জন ঘোষের কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় এ ছবিতে ঋতুপর্ণার বিপরীতে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। এ ছাড়া ছবিতে আরো অভিনয় করেছেন পরান বন্দ্যোপাধ্যয়, দীপঙ্কর দে, শকুন্তলা বড়ুয়া, অমৃতা চট্টোপাধ্যায়, অনুভব পাল প্রমুখ।
সামাজিক দায়িত্বের কথাও সব সময় মনে রেখেছেন এ অভিনেত্রী। সম্প্রতি ‘দ্য ন্যাশনাল গার্ল চাইল্ড ডে’ উপলক্ষে নিজের মেয়ের সঙ্গে একটি ছবি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন তিনি। দিয়েছেন একটি বিশেষ বার্তাও। ঋতুপর্ণার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ঘুরে দেখা গেছে, মেয়ে ঋষণার সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি।
ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমি মেয়ে হিসেবে জন্মেছি বলে গর্বিত। ঋষণা যখন আমার জীবনে এলো, একজন মহিলা হিসেবে সে মুহূর্তটাও খুব গর্বের ছিল। কন্যা সন্তানের ক্ষমতায়নের জন্য জাতিগতভাবে আমাদের একসঙ্গে দাঁড়ানো উচিত।’ ওপার বাংলায় প্রতিবছর ২৪ জানুয়ারি পালিত হয় ‘দ্য ন্যাশনাল গার্ল চাইল্ড ডে’।
সে দেশে এখনো কন্যাভ্রুণ হত্যার মতো ঘটনা ঘটে প্রতিনিয়ত। মেয়েরা এখনো পিছিয়ে পড়া শ্রেণি। সেই ভাবনার বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের মতামত শেয়ার করেছেন ঋতুপর্ণা। ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। এদিকে, ৮ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে ঋতুপর্ণা অভিনীত নতুন ছবি ‘আহা রে’।
রঞ্জন ঘোষের কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় এ ছবিতে ঋতুপর্ণার বিপরীতে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। এ ছাড়া ছবিতে আরো অভিনয় করেছেন পরান বন্দ্যোপাধ্যয়, দীপঙ্কর দে, শকুন্তলা বড়ুয়া, অমৃতা চট্টোপাধ্যায়, অনুভব পাল প্রমুখ।
বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে কর্মচারী-নার্সদের সংঘর্ষ
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে(বিএসএমএমইউ) চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও নার্সদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের
জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার
(২৪ জানুয়ারি)
সকালে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, একজন নার্স ও একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর মধ্যে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের
কারণে হাতাহাতির
ঘটনা ঘটে।
আর এতে মুহূর্তের মধ্যেই নার্স ও কর্মচারীরা সংঘবদ্ধ হয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
আনতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মরত আনসার সদস্য ও শাহবাগ থানার পুলিশ নিযুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। জানা গেছে, ওই দুই ব্যক্তির মধ্যে ইতিপূর্বে
ব্যক্তিগত কারণে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আজকের এই ঘটনার সূত্রপাত।
বিষয়ে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোজাফফর আহমেদ বলেন, একজন নার্স ও কর্মচারীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে এটি তেমন কোনো জটিল সমস্যা নয়। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের
মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি
এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে। এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) আবুল হাসান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ কাজ করছে।
4 Nov 2018
আঁচিল দূর করার ৭টি কার্যকরী উপায় জেনে নিন
আঁচিল দূর করার ৭টি কার্যকরী উপায়
আঁচিলের মতো বিব্রতকর ত্বক সমস্যা দূর করে দিতে পারে ঘরোয়া উপাদান। কীভাবে? জেনে নিন উপায়গুলো।
ত্বকের বিব্রতকর একটি সমস্যা হলো আঁচিল। ছোট, নরম এটি ত্বকের যে কোনো স্থানে হতে পারে। এটি সাধারণত তেমন কোনো ক্ষতি করে না। রঞ্জক কোষ একত্রিত হয়ে ত্বকে কালো দাগ সৃষ্টি করে, যা আঁচিল নামে পরিচিত। এটি সাধারণত বাদামী, কালো, লাল, গোলাপি বা একই রঙের হতে দেখা যায়। আঁচিলের আকার, আকৃতি এবং রঙ একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়। আঁচিল দূর করার জন্য নানা রকমের ঔষধ ব্যবহার করা হয়। লেজার বা অন্য চিকিৎসাও করা হয়। তবে ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এমন কিছু কার্যকরী ঘরোয়া উপায় নিয়ে আজকের ফিচার।
১। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার
আঁচিল দূর করতে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার বেশ কার্যকর। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের অ্যাসিড আঁচিলের কোষ ভেঙ্গে দিয়ে আঁচিল দূর করে দেয়। একটি তুলোর বল অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারে ভিজিয়ে নিন। এটি আঁচিলের উপর ম্যাসাজ করে লাগান। তিন বা চার ঘন্টা পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি দিনে তিন থেকে চার বার ব্যবহার করুন। এভাবে দুই থেকে চার সপ্তাহ ব্যবহার করুন।
২। টি ট্রি অয়েল
টি ট্রি অয়েলের অ্যাসিড ধীরে ধীরে আঁচিল দূর করে দেয়। এর অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ত্বক ইনফেকশন দূর করে দেয়। একটি তুলোর বল পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এবার এটি টি ট্রি অয়েলে ভিজিয়ে নিন। এটি আঁচিলের উপর লাগান। কয়েক ঘন্টা এভাবে রেখে দিন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি দিনে তিনবার ব্যবহার করুন। সেনসিটিভ ত্বকের অধিকারীরা সমপরিমাণ পানি এবং টি ট্রি অয়েল একসাথে মিশিয়ে নিন।
৩। ক্যাস্টর অয়েল
দুই অংশ ক্যাস্টর অয়েল এবং এক অংশ বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে নিন। এরসাথে লেমন অয়েল অথবা পিপারমেন্ট অয়েল মেশান। এই মিশ্রণটি আঁচিলের উপর ব্যবহার করুন। এভাবে সারা রাত থাকুন। পরের দিন কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন ব্যবহার করুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পরিবর্তন দেখতে পাবেন।
৪। রসুন
কয়েকটি রসুনের কোয়া কুচি করে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ত্বকের আঁচিলের উপর ব্যবহার করুন। একটি ব্যান্ডেজ দিয়ে স্থানটি পেঁচিয়ে রাখুন। সারারাত এভাবে থাকুন, পরের দিন সকালে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন এটি ব্যবহার করুন।
৫। কলার খোসা
কলার খোসার ভিতরের অংশটি বের করে পেস্ট তৈরি করুন। এটি আঁচিলের উপর ব্যবহার করুন। এরপর একটি ব্যান্ডেজ দিয়ে পেঁচিয়ে রাখুন। সারারাত এভাবে থাকুন। পরের দিন সকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কলার খোসার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আঁচিলে প্রাকৃতিকভাবে দূর করতে সাহায্য করে।
৬। পেঁয়াজের রস
পেঁয়াজ কুচি করে কেটে নিন। এটি একটি পাত্র পেঁয়াজ কুচি এবং আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে সারারাত ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। সারারাত এটি এভাবে রেখে দিন। পরের দিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে এটি আঁচিলের উপর ব্যবহার করুন। পরের দিন সকালে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিরাতে এটি ব্যবহার করুন।
৭। অ্যালোভেরা জেল
অ্যালোভেরা ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। ত্বকের আঁচিলের উপর কিছু পরিমাণ অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। ত্বক সম্পূর্ণ জেল শুষে নেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এটি দিনে তিনবার দুই সপ্তাহ ব্যবহার করুন।
সূত্র: টপ টেন হোম রিমিডিস
সম্পাদনা : রুমানা বৈশাখী
3 Nov 2018
মেয়েদের পায়ে নূপুর পরার বিধান কি?
মেয়েদের পায়ে নূপুর পরার বিধান কি?
ইসলামে নারীদের সাজসজ্জা এবং অলংকার পরার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়েছে। তবে ইসলাম নির্ধারিত শর্তাবলী মেনে তা করতে হবে।
যেমন, পর পুরুষের সামনে সাজসজ্জা, অলংকারাদি, শরীর বা পোশাকের সৌন্দর্য প্রকাশ করা যাবে না এবং এতে শরিয়া বিরোধী বা হারাম এর মিশ্রণ থাকা চলবে না।
সুতরাং একজন মুসলিম নারী পায়ের নূপুর পরিধান করতে পারে। তবে শর্ত হল, তাতে বাজনা থাকা যাবে না এবং তা পর পুরুষদের সামনে প্রকাশ করা যাবে না।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
ولا يَضْرِبْنَ بأرجُلِهِنّ لِيُعْلَمَ ما يُخْفِين من زِينَتِهِنّ
“আর তাদের পা দিয়ে যেন তারা আঘাত না করে যাতে তাদের অলংকারের যা লুকিয়ে আছে তা জানানো যায়।” (সূরা নূর এর ৩১ নং আয়াত)
তবে স্বামী, মাহরাম পুরুষ অথবা মহিলা অঙ্গনে; পরলে তাতে কোন সমস্যা নেই।
◍ বাজনাদার নূপুর পড়া বৈধ নয়:
🔰একদিন মা আয়েশা রা. এর নিকট কোনও এক বালিকা বাজনাদার নূপুর পরে আসলে তিনি তাকে বললেন: খবরদার! তা কেটে না ফেলা পর্যন্ত আমার ঘরে প্রবেশ করবে না। অতঃপর তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “যে ঘরে ঘণ্টি থাকে সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না।’
(সুনানে আবু দাউদ হাদিস : ৪২৩১; সুনানে নাসাঈ
হাদিস : ৫২৩৭)
🔰সহীহ মুসলিমে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “ঘণ্টি, বাজা,
ঘুঙুর হল, শয়তানের বাদ্যযন্ত্র।” (সহীহ মুসলিম
হাদিস : ২১১৪) আল্লাহু আলাম
▬▬▬▬ ◈◈◈▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব
ইসলামে নারীদের সাজসজ্জা এবং অলংকার পরার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়েছে। তবে ইসলাম নির্ধারিত শর্তাবলী মেনে তা করতে হবে।
যেমন, পর পুরুষের সামনে সাজসজ্জা, অলংকারাদি, শরীর বা পোশাকের সৌন্দর্য প্রকাশ করা যাবে না এবং এতে শরিয়া বিরোধী বা হারাম এর মিশ্রণ থাকা চলবে না।
সুতরাং একজন মুসলিম নারী পায়ের নূপুর পরিধান করতে পারে। তবে শর্ত হল, তাতে বাজনা থাকা যাবে না এবং তা পর পুরুষদের সামনে প্রকাশ করা যাবে না।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
ولا يَضْرِبْنَ بأرجُلِهِنّ لِيُعْلَمَ ما يُخْفِين من زِينَتِهِنّ
“আর তাদের পা দিয়ে যেন তারা আঘাত না করে যাতে তাদের অলংকারের যা লুকিয়ে আছে তা জানানো যায়।” (সূরা নূর এর ৩১ নং আয়াত)
তবে স্বামী, মাহরাম পুরুষ অথবা মহিলা অঙ্গনে; পরলে তাতে কোন সমস্যা নেই।
◍ বাজনাদার নূপুর পড়া বৈধ নয়:
🔰একদিন মা আয়েশা রা. এর নিকট কোনও এক বালিকা বাজনাদার নূপুর পরে আসলে তিনি তাকে বললেন: খবরদার! তা কেটে না ফেলা পর্যন্ত আমার ঘরে প্রবেশ করবে না। অতঃপর তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “যে ঘরে ঘণ্টি থাকে সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না।’
(সুনানে আবু দাউদ হাদিস : ৪২৩১; সুনানে নাসাঈ
হাদিস : ৫২৩৭)
🔰সহীহ মুসলিমে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “ঘণ্টি, বাজা,
ঘুঙুর হল, শয়তানের বাদ্যযন্ত্র।” (সহীহ মুসলিম
হাদিস : ২১১৪) আল্লাহু আলাম
▬▬▬▬ ◈◈◈▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব
29 Oct 2018
যেখানেই থাক, যেভাবেই থাক, ভালো থাকুক সবার ভালোবাসা।
মেয়েটা যখন সংসার সামলায় ছেলেটা তখনো গিটার বাজায়।
গিটারের দুটো তার কেটে যায়। নতুন তার কিনতে টাকা লাগবে। এই বয়সে আর গিটারের তার কেনার কথা বাসায় বলা যায় না। ছেলেটার গিটারে আর ভালো সুর ওঠে না। ক্লান্ত দুপুরগুলোতে এখন আর কেউ মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে গিটারের টুং-টাং শোনে না। এখন আর কাউকে বিশেষ দরকারও পড়ে না অবশ্য!
আরো কিছুদিন কেটে যায়। মেয়েটা বাচ্চাকে নিয়ে স্কুলে যায়। ছেলেটা বাইকে করে অফিসে যায়। রাস্তায় দেখা হয়ে যায় আবার। হাসি-হাসি মুখে দু’জনই দু’চারটা কথা বলে, চলে যায়। এখন দু’জনেরই ব্যস্ততা আছে। ব্যস্ততার মধ্যে ভালোবাসা থাকে না। ভালোবাসা ব্যস্ততা পছন্দ করে না। ব্যস্ত মানুষদের জন্য ভালোবাসা নয়। ভালোবাসা হচ্ছে 'বেকার' নামক অফুরন্ত সময় বিশিষ্ট সুন্দর মানুষদের জন্য।
মধ্যরাতে মেয়েটার ফোনে একটি মেসেজ আসে, যেখানে কয়েকটি শব্দে লেখা—
“Thank you, for letting me love you.”
মেয়েটার ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসি। সে জবাব দেয়—
“And… thank you, for loving me.”
অপরদিকে ছেলেটাও হাসছে। তৃপ্তির হাসি। তৃপ্তির হাসিতে শব্দ থাকে না।
ভালোবাসায় কখনো হার-জিত থাকে না। ভালোবাসায় লাভ-লোকসান থাকে না , কারণ ভালোবাসার সঙ্গে 'রুম-ডেট' নামক শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
ভালোবাসা কেএফসি, পিৎজা হাটের এয়ার কন্ডিশনারে ঢুকতে প্রচণ্ড সংকোচ বোধ করে। ভালোবাসা বরং রাস্তার ধারে তারা মামার গরম চটপটিতে ভীষণ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে এবং ভালোবাসা কখনো শেষ হয়ে যায় না। ভালোবাসা কখনো শহুরে রাস্তার সোডিয়াম বাতির হলুদ আলোর নিচে ঘুরে ফিরে বেড়ায়, কখনো অজ-পাড়াগাঁয়ের কোনো শান্ত দিঘীর পাড়ে একলা বসে জোছনা দেখে।
যেখানেই থাক, যেভাবেই থাক, ভালো থাকুক সবার ভালোবাসা।
27 Oct 2018
বিপদে পড়লে মহানবী (সাঃ) যে ৩টি দোয়া পাঠ করতে বলেছেন
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মহান আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠাকালে বহু বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন। বেশ কয়েকবার কাফেরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে। অনেক জুলুম, অন্যায়, অত্যাচার পাড়ি দিয়ে তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিপদের সময় মহানবী (সা.) যে ৩টি দোয়া পাঠ করতেন সেই দোয়াগুলো উম্মতদেরও পাঠ করাতে বলেছেন। দোয়া ৩টি হলো–
১। সাদ ইবনে আবি ওক্কাস রা. বলেন, নবীজি সা. দুঃখ-কষ্টের সময় বলতেন : লা-ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন। (দোয়া ইউনূস) অর্থ : একমাত্র তুমি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। নিশ্চয়ই আমি সীমালঙ্ঘনকারী। (তিরমিজি : ৩৫০০)
২। আসমা বিনতে ওমাইর রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেন, আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দেব না যা তুমি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানির মধ্যে পড়বে। সাহাবী বললেন, অবশ্যই শেখাবেন। নবীজি বললেন, দোয়াটি হচ্ছে : ‘আল্লাহু আল্লাহ রব্বী লা উশরিকু বিহি শাইয়ান।’ অর্থ : আল্লাহই আল্লাহ আমার প্রতিপালক। আমি তার সঙ্গে কোনো কিছু শরিক করি না। (আবু দাউদ : ১৫২৫)
৩। আনাস রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেন : আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জায়ালতাহু সাহলান, ওআনতা তাজআলুল হুযনা সাহলান ইযা শিইতা। অর্থ : ইয়া আল্লাহ, কোনো বিষয় সহজ নয়। হ্যাঁ, যাকে তুমি সহজ করে দাও। যখন তুমি চাও তখন তুমি মুশকিলকে সহজ করে দাও। (ইবনে হিব্বান : ৯৭৪)
অসাধারণ লাঠি খেলা দেখুন...
অসাধারণ লাঠি খেলা দেখুন...
অসাধারণ লাঠি খেলা দেখুন...
অসাধারণ লাঠি খেলা দেখুন...
অসাধারণ লাঠি খেলা দেখুন...
রোগ মোকাবিলায় আমলকীর যত গুনাগুণ
আমলকী আমাদের নানা রোগ মোকাবিলায় সাহায্য করে। নিয়মিত আমলকির জুস পানে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, হজম ভাল হয়, কোলেস্টেরল ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা কমে। ত্বকের বয়স হওয়া প্রতিরোধ করে ত্বকে জৌলুসও আনে আমলকি।
এর জন্য আমলকি থেকে তৈরি করা জুসেরও রয়েছে সমান উপকারিতা। আমলকির জুস লিভারের কার্যক্রম ভালো রাখে, হৃদপিণ্ড ভালো রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এর আছে আরো অনেক গুণ। এনডিটিভির স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে আমলকির জুসের আট উপকারের কথা।
১. ওজন ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ডা. গার্জি শর্মার মতে, ফ্লু ও কফ দূর করতে আমলকির জুস বেশ শক্তিশালী ঘরোয়া ওষুধ। দুই চা চামচ আমলকির রস মধু দিয়ে প্রতিদিন খেলে কফ ও ঠান্ডা প্রতিরোধ হয়। পানির মধ্যে এক চা চামচ রস নিয়ে দুই বেলা গার্গল করলে মুখের আলসার দূর হয়।
২. নিয়মিত আমলকির জুস খেলে শরীরের বাজে কোলেস্টেরল কমে। এর মধ্যে থাকা এমাইনো এসিড ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।
৩. এটি ডায়াবেটিস রোগীদের বেশ উপকার করে। এ ছাড়া অ্যাজমা কমাতেও সাহায্য করে।
৪. বিশেষজ্ঞরা বলেন, এলকেলাইন প্রকৃতির জন্য হজমকে ভালো করে এবং শরীর পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
৫. এটি লিভারের কার্যক্রম ভালো রাখে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়।
৬. ভিটামিন সি বাদেও এর মধ্যে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাসের জন্য এটি একটি পুষ্টিকর পানীয়ও বটে।
৭. আমলার মধ্যে থাকা এমাইনো এসিড ও প্রোটিন চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে; এটি চুলপড়া প্রতিরোধ করে।
৮. আমলকির রস তুলায় ভিজিয়ে মুখে লাগান। এতে দাগ, ব্রণ দূর হবে। এ ছাড়া আমলকির জুস মুখের ছিদ্রভাব দূর করে।
পুরুষেরা কেন গাঁজর খাবেন?
গাজর আমরা মূলত সবজি অথবা সালাদ হিসেবে খেয়ে থাকি। কিন্তু আপনে জানেন কি এর মধ্যে রয়েছে মহা ঔষধি গুন। কারণ পুরুষের সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে গাজর। এছাড়াও তাদের বীর্যকে পুনরুজ্জ্বীবিত করতেও ভূমিকা রাখে গাজর। সম্প্রতি গবেষণায় এমন তথ্যই বেরিয়ে এসেছে। তারা এও বলেছেন যে, যে কোন কমলা ও হলুদ রঙ্গের সব ফলই পুরুষের সন্তান উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ায়।
তাছাড়া গবেষকরা বলেন, যে কোন রঙ্গীন ফল ও সবজিই পুরুষের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। তবে অন্যান্য রঙ্গীন ফলের চেয়ে এক্ষেত্রে গাজর সর্বাধিক কাজ করে। গবেষকদের মতে, গাজরে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা পুরুষের শরীরে ডিমের চেয়েও বেশি কাজ করে। একটি ডিমের চেয়ে একটি গাজর সর্বোচ্চ আট শতাংশ বেশি কাজ করতে সক্ষম বলে জানান তারা।
এদিকে গবেষকরা ১৮৯ জন কলেজে পড়া তরুণদের মধ্যে গবেষণা চালিয়ে এমন তথ্য আবিষ্কার করেছেন। আর এই গবেষণাটির নাম দেয়া হয়েছে, সিমেন কোয়ালিটি ইন রিলেশন টু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ইনটেক ইন আ হেলদি মেন পপুলেশন। আর গবেষণার ফলাফলও তারা ফার্টিলিটি অ্যান্ড স্টেরিলিটি নামের একটি জার্নালে প্রকাশ করেছে। গবেষকরা বলেন, স্পিনাক এক ধরনের শাক ও লেসুস পাতায়ও রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট।
তাই এগুলাও পুরুষের বীর্যকে সক্রিয় রাখতে ভূমিকা রাখে। তবে এক্ষেত্রে টমেটোর বিষয় আলাদা। টমেটোতে রয়েছে নিন্মমাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট তাই এটা এক্ষেত্রে জোড়ালো ভূমিকা রাখে না। তবে এটা গবেষণায় প্রকাশিত হলেও প্রানিবিজ্ঞানে টমেটোকে সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা বৃদ্ধির উপযোগি সবজি ধরা হয়েছে বলে জানান গবেষকরা।
26 Oct 2018
নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে কী কী উপকার হয়, জেনে নিন…
লেবুর খোসার যত গুণ- বারমাসি ফল লেবুর গুণের কথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু লেবুর খোসার উপকারের কথা আমরা কতটুকু জানি?
আপনি জেনে অবাক হবেন যে, লেবুতে যে পরিমাণ ভিটামিন থাকে তার চেয়ে ১০ গুণ বেশি থাকে লেবুর খোসায়। ১০০ গ্রাম লেবুর খোসায় থাকে প্রায় ১৩৪ এমজি ক্যালসিয়াম, ১৬০ এমজি পটাশিয়াম, ১২৯ এমজি ভিটামিন সি এবং ১০.৬ গ্রাম ফাইবার। ফলে চিকিৎসকরা লেবুর খোসা খেতে উৎসাহ দিয়ে থাকেন।
আসুন, জেনে নিই নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে কী কী উপকার হয়-
লেবুর খোসা খেলে সারা শরীরে রক্ত সরবারহ বাড়তে শুরু করে। ফলে দেহের প্রতিটি কোণায় অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে সব ধরনের রোগই দূর হয়।
নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে শরীরে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে, লিভারের ভেতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়তে থাকে।
লেবুর খোসায় উপস্থিত সাইট্রাস বায়ো-ফ্লেভোনয়েড শরীরের ভেতরে প্রবেশ করার পর অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে শুরু করে। ফলে মন, মস্তিষ্ক এবং শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে।
প্রচুর ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম থাকায় ধীরে ধীরে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনফ্লেমেটরি পলিআর্থ্রাইটিস, অস্টিওপরোসিস এবং রিউমাটয়েড আথ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে।
আরও জেনে রাখুন, অনিদ্রার কারণে হতে পারে যেসব মারাত্মক অসুখ!
রাতে কিছুতেই ঘুম হয় না। সেজন্য দিনের বেলায় ক্লান্তি, ঘুম ঘুম ভাব আর অস্বাভাবিক জড়তা এসে যায়। কিছুতেই কাজ করা সম্ভব হয় না! নিজেকে সজাগ রাখতে কাপের পর কাপ চা-কফি খাচ্ছেন। কিন্তু তাতেও লাভ হচ্ছে না ! এ রকম অবস্থা দিনের পর দিন চলতে থাকলে দেরি না করে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনিদ্রার সমস্যা শরীরের অনেক অসুখের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কম ঘুমালে শরীরের কী কী সমস্যা হয় তা জানুন।
১। ঘুম কম হলে হ্যালুসিনেশনের মতো সমস্যায় ভুগতে হতে পারে।
২। ঘুম কম হলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও কমে যেতে পারে।
৩। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে হার্টের নানা রোগের সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়। এছাড়া হার্টফেল পর্যন্তও হতে পারে।
৪। ঘুম কম হলে বাড়তে পারে মানসিক অবসাদও। যা থেকে জন্ম নেয় নানাবিধ বড় বড় রোগ।
৫। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে হতে পারে মারাত্মক হজমের সমস্যাসহ অন্যান্য পেটের অসুখ।
৬। দিনের পর দিন অনিদ্রার সমস্যা ডায়বেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
৭। দিনের পর দিন পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে কোষ্ঠকাঠিন্য বা অর্শরোগের ঝুঁকিও বাড়ে।
৮। পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে তা ত্বকের পক্ষেও বেশ ক্ষতিকর। দিনের পর দিন ঘুম কম হলে, ত্বক শুষ্ক-রুক্ষ হয়ে পড়ে। কালো ছোপ পড়ে যায়। চোখের নিচে কালি পড়ে।
৯। কম ঘুম হলে মুখে ব্রণ, মেছতা, ফুসকুড়িও উঠতে পারে।
তাই এই সমস্ত রোগ থেকে শরীরকে বাঁচাতে প্রতিদিন অবশ্যই ৬-৭ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে ৬ ঘণ্টা ঘুমই যথেষ্ট। তার চেয়ে আধ ঘণ্টা এগিক-ওদিক হতে পারে। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত ঘুম মোটেই স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়।
আপনি জেনে অবাক হবেন যে, লেবুতে যে পরিমাণ ভিটামিন থাকে তার চেয়ে ১০ গুণ বেশি থাকে লেবুর খোসায়। ১০০ গ্রাম লেবুর খোসায় থাকে প্রায় ১৩৪ এমজি ক্যালসিয়াম, ১৬০ এমজি পটাশিয়াম, ১২৯ এমজি ভিটামিন সি এবং ১০.৬ গ্রাম ফাইবার। ফলে চিকিৎসকরা লেবুর খোসা খেতে উৎসাহ দিয়ে থাকেন।
আসুন, জেনে নিই নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে কী কী উপকার হয়-
লেবুর খোসা খেলে সারা শরীরে রক্ত সরবারহ বাড়তে শুরু করে। ফলে দেহের প্রতিটি কোণায় অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে সব ধরনের রোগই দূর হয়।
নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে শরীরে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে, লিভারের ভেতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়তে থাকে।
লেবুর খোসায় উপস্থিত সাইট্রাস বায়ো-ফ্লেভোনয়েড শরীরের ভেতরে প্রবেশ করার পর অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে শুরু করে। ফলে মন, মস্তিষ্ক এবং শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে।
প্রচুর ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম থাকায় ধীরে ধীরে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনফ্লেমেটরি পলিআর্থ্রাইটিস, অস্টিওপরোসিস এবং রিউমাটয়েড আথ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে।
আরও জেনে রাখুন, অনিদ্রার কারণে হতে পারে যেসব মারাত্মক অসুখ!
রাতে কিছুতেই ঘুম হয় না। সেজন্য দিনের বেলায় ক্লান্তি, ঘুম ঘুম ভাব আর অস্বাভাবিক জড়তা এসে যায়। কিছুতেই কাজ করা সম্ভব হয় না! নিজেকে সজাগ রাখতে কাপের পর কাপ চা-কফি খাচ্ছেন। কিন্তু তাতেও লাভ হচ্ছে না ! এ রকম অবস্থা দিনের পর দিন চলতে থাকলে দেরি না করে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনিদ্রার সমস্যা শরীরের অনেক অসুখের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কম ঘুমালে শরীরের কী কী সমস্যা হয় তা জানুন।
১। ঘুম কম হলে হ্যালুসিনেশনের মতো সমস্যায় ভুগতে হতে পারে।
২। ঘুম কম হলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও কমে যেতে পারে।
৩। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে হার্টের নানা রোগের সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়। এছাড়া হার্টফেল পর্যন্তও হতে পারে।
৪। ঘুম কম হলে বাড়তে পারে মানসিক অবসাদও। যা থেকে জন্ম নেয় নানাবিধ বড় বড় রোগ।
৫। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে হতে পারে মারাত্মক হজমের সমস্যাসহ অন্যান্য পেটের অসুখ।
৬। দিনের পর দিন অনিদ্রার সমস্যা ডায়বেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
৭। দিনের পর দিন পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে কোষ্ঠকাঠিন্য বা অর্শরোগের ঝুঁকিও বাড়ে।
৮। পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে তা ত্বকের পক্ষেও বেশ ক্ষতিকর। দিনের পর দিন ঘুম কম হলে, ত্বক শুষ্ক-রুক্ষ হয়ে পড়ে। কালো ছোপ পড়ে যায়। চোখের নিচে কালি পড়ে।
৯। কম ঘুম হলে মুখে ব্রণ, মেছতা, ফুসকুড়িও উঠতে পারে।
তাই এই সমস্ত রোগ থেকে শরীরকে বাঁচাতে প্রতিদিন অবশ্যই ৬-৭ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে ৬ ঘণ্টা ঘুমই যথেষ্ট। তার চেয়ে আধ ঘণ্টা এগিক-ওদিক হতে পারে। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত ঘুম মোটেই স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়।
Subscribe to:
Posts (Atom)
বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি
ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি। সাবলীল অভিনয় আর মিষ্টি হাসি দিয়ে ইতোমধ্যে ভক্তদের মনের রানী হয়ে আছেন এই না...



