কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে প্রেমিকার আত্মহত্যার খবর শুনে বিষ পানে আত্মহত্যা করেছে নোমান ওরফে রুমন (২২)। সে উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের চাঁন্দপুর পশ্চিম পাড়া মুন্সী বাড়ীর আব্দুল হাকিমের ছেলে। গতকাল রবিবার ২৪ মার্চ দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে কুমিল্লার কোটবাড়ির এক ছাত্রাবাসে এ ঘটনা ঘটে।
এদিকে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেল চারটায় রুমনের প্রেমিকা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শুভপুর ইউনিয়নের পাশাকোট গ্রামের নুরুল ইসলামের মেয়ে রুমা আক্তার (১৮) নিজ ঘরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। এ খবর শুনে রাতের কোন এক সময় ছাত্রবাসে রুমনও বিষ পান করে। এরপর আজ (২৫ মার্চ) সোমবার সকালে ঘুম থেকে উঠছেনা দেখে ছাত্রাবাসের অন্য ছাত্ররা তাকে ডাকাডাকি করেও সাড়া না পেয়ে রুমে গেলে তাকে অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পায়।
এরপর তাকে দ্রুত স্থানীয় একটি বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষনা করে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এর আগে গতকাল রবিবার দুপুরে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে রুমা। বিকেল চারটার দিকে ঝুলন্ত অবস্থায় রুমাকে দেখতে পেয়ে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় মুন্সীরহাট নেছারিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। এদিকে জানা যায়, রুমার সাথে রুমনের দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল।
রুমার পরিবার জানায়, প্রেমঘটিত কারণেই রুমা আত্মহত্যা করেছে। এ ব্যাপারে রুমার মা গণমাধ্যমকে বলেন, ‘রুমন আমার মেয়ের সাথে প্রায়ই মোবাইলে কল দিয়ে কথা বলত। আট মাস আগে আমার মেয়ের সাথে রাগ করে রুমন বিষও খেয়েছিল। এখন আমার মেয়েই মারা গেল। আমার মেয়ের মৃত্যুর জন্য রুমনই দায়ী।’
এ ব্যাপারে চৌদ্দগ্রাম থানার ওসি (তদন্ত) শুভরঞ্জন চাকমা বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে দুটি ঘটনাই প্রেমঘটিত আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি। রুমার পরিবারের অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ এদিকে রুমা এবং রুমন পাশ্ববর্তী মুন্সীরহাট প্রকৌশলী ওয়াহিদুর রহমান ডিগ্রী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী।
Showing posts with label অন্যান্য. Show all posts
Showing posts with label অন্যান্য. Show all posts
25 Mar 2019
প্রেম করার ‘অপরাধে’ ১৯ দিন শেকলবন্দী, অবশেষে মুক্তি
অবশেষে মুক্তি- প্রেম করার ‘অপরাধে’ বন্দী হয়েছিলেন এনামুল হক মানিক (১৯)। তার বাবা রফিকুল ইসলাম নিজেই তাকে পায়ে শেকল বেঁধে ১৯ দিন ঘরবন্দী করে রেখেছিলেন। অবশেষে পুলিশের হস্তক্ষেপে মুক্তি পেলেন তিনি।
ঘটনাটি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের গন্ধর্নপুর গ্রামের। পুলিশ এনামুলে বাবা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে গেছে।
জানা গেছে, পীরগঞ্জ শাহ আব্দুর রউফ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র এনামুল হক মানিক তাদের পাশের গ্রামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিষয়টি এনামুলের বাবা রফিকুল ইসলাম মেনে নিতে পারেননি। গত ৫ মার্চ তিনি ছেলেকে ডেকে পায়ে শেকল বেঁধে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন। এনামুলের খাবার থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ ওই ঘরের ভেতরেই করতে হতো।
১৯ দিন এনামুলকে ঘরবন্দী করে রাখার বিষয়টি রোববার জানাজানি হয়ে যায়। এলাকাবাসী ঘটনার ব্যাপারে পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ গিয়ে এনামুলকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে।
এনামুলের বড় ভাইয়ের স্ত্রী লীনা বেগম জানান, পাশের গ্রামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ায় তার দেবরের পায়ে শেকল বেঁধে ঘরবন্দী করে রাখেন শ্বশুর। আজ পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।
সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম জানান, এনামুল ও ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক জানার পর তাদের পরিবারে গণ্ডগোল হয়। মেয়েটি তার কাছে এনামুলকে বিয়ে করার দাবি নিয়ে আসে। পরে তিনি গ্রামের কয়েকজন কর্তাব্যক্তি নিয়ে রফিকুল ইসলামের বাড়ি গিয়ে দুজনের বিয়ের জন্য আলোচনা করেন। কিন্তু তিনি রাগান্বিত হয়ে ছেলেকে শেকল বেঁধে ঘরবন্দী করে ফেলেন।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুরেশ চন্দ্র আমাদের সময়কে জানান, গ্রামবাসী ঘটনার ব্যাপারে জানালে তিনি ফোর্স পাঠিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনামুলের বাবা ও ভাইকে থানায় আনা হয়েছে।
ঘটনাটি রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের গন্ধর্নপুর গ্রামের। পুলিশ এনামুলে বাবা ও ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে গেছে।
জানা গেছে, পীরগঞ্জ শাহ আব্দুর রউফ কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র এনামুল হক মানিক তাদের পাশের গ্রামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিষয়টি এনামুলের বাবা রফিকুল ইসলাম মেনে নিতে পারেননি। গত ৫ মার্চ তিনি ছেলেকে ডেকে পায়ে শেকল বেঁধে ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখেন। এনামুলের খাবার থেকে শুরু করে যাবতীয় কাজ ওই ঘরের ভেতরেই করতে হতো।
১৯ দিন এনামুলকে ঘরবন্দী করে রাখার বিষয়টি রোববার জানাজানি হয়ে যায়। এলাকাবাসী ঘটনার ব্যাপারে পুলিশকে জানায়। পরে পুলিশ গিয়ে এনামুলকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে।
এনামুলের বড় ভাইয়ের স্ত্রী লীনা বেগম জানান, পাশের গ্রামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ায় তার দেবরের পায়ে শেকল বেঁধে ঘরবন্দী করে রাখেন শ্বশুর। আজ পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে।
সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রেজাউল ইসলাম জানান, এনামুল ও ওই ছাত্রীর প্রেমের সম্পর্ক জানার পর তাদের পরিবারে গণ্ডগোল হয়। মেয়েটি তার কাছে এনামুলকে বিয়ে করার দাবি নিয়ে আসে। পরে তিনি গ্রামের কয়েকজন কর্তাব্যক্তি নিয়ে রফিকুল ইসলামের বাড়ি গিয়ে দুজনের বিয়ের জন্য আলোচনা করেন। কিন্তু তিনি রাগান্বিত হয়ে ছেলেকে শেকল বেঁধে ঘরবন্দী করে ফেলেন।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুরেশ চন্দ্র আমাদের সময়কে জানান, গ্রামবাসী ঘটনার ব্যাপারে জানালে তিনি ফোর্স পাঠিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনামুলের বাবা ও ভাইকে থানায় আনা হয়েছে।
Subscribe to:
Posts (Atom)
বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি
ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি। সাবলীল অভিনয় আর মিষ্টি হাসি দিয়ে ইতোমধ্যে ভক্তদের মনের রানী হয়ে আছেন এই না...