26 Oct 2018

নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে কী কী উপকার হয়, জেনে নিন…

লেবুর খোসার যত গুণ- বারমাসি ফল লেবুর গুণের কথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু লেবুর খোসার উপকারের কথা আমরা কতটুকু জানি?
আপনি জেনে অবাক হবেন যে, লেবুতে যে পরিমাণ ভিটামিন থাকে তার চেয়ে ১০ গুণ বেশি থাকে লেবুর খোসায়। ১০০ গ্রাম লেবুর খোসায় থাকে প্রায় ১৩৪ এমজি ক্যালসিয়াম, ১৬০ এমজি পটাশিয়াম, ১২৯ এমজি ভিটামিন সি এবং ১০.৬ গ্রাম ফাইবার। ফলে চিকিৎসকরা লেবুর খোসা খেতে উৎসাহ দিয়ে থাকেন।

আসুন, জেনে নিই নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে কী কী উপকার হয়-
লেবুর খোসা খেলে সারা শরীরে রক্ত সরবারহ বাড়তে শুরু করে। ফলে দেহের প্রতিটি কোণায় অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত পৌঁছে শরীরের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এতে সব ধরনের রোগই দূর হয়।
নিয়মিত লেবুর খোসা খেলে শরীরে অ্যান্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ এত মাত্রায় বেড়ে যায় যে, লিভারের ভেতরে জমে থাকা টক্সিক উপাদান বেরিয়ে যেতে শুরু করে। ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়তে থাকে।

লেবুর খোসায় উপস্থিত সাইট্রাস বায়ো-ফ্লেভোনয়েড শরীরের ভেতরে প্রবেশ করার পর অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমতে শুরু করে। ফলে মন, মস্তিষ্ক এবং শরীর চাঙ্গা হয়ে ওঠে।
প্রচুর ভিটামিন সি এবং ক্যালসিয়াম থাকায় ধীরে ধীরে হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ইনফ্লেমেটরি পলিআর্থ্রাইটিস, অস্টিওপরোসিস এবং রিউমাটয়েড আথ্রাইটিসের মতো রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও কমে।



আরও জেনে রাখুন, অনিদ্রার কারণে হতে পারে যেসব মারাত্মক অসুখ!
রাতে কিছুতেই ঘুম হয় না। সেজন্য দিনের বেলায় ক্লান্তি, ঘুম ঘুম ভাব আর অস্বাভাবিক জড়তা এসে যায়। কিছুতেই কাজ করা সম্ভব হয় না! নিজেকে সজাগ রাখতে কাপের পর কাপ চা-কফি খাচ্ছেন। কিন্তু তাতেও লাভ হচ্ছে না ! এ রকম অবস্থা দিনের পর দিন চলতে থাকলে দেরি না করে চিকিত্সকের পরামর্শ নিন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনিদ্রার সমস্যা শরীরের অনেক অসুখের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। কম ঘুমালে শরীরের কী কী সমস্যা হয় তা জানুন।
১। ঘুম কম হলে হ্যালুসিনেশনের মতো সমস্যায় ভুগতে হতে পারে।
২। ঘুম কম হলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও কমে যেতে পারে।
৩। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে হার্টের নানা রোগের সম্ভাবনা বহুগুণ বেড়ে যায়। এছাড়া হার্টফেল পর্যন্তও হতে পারে।
৪। ঘুম কম হলে বাড়তে পারে মানসিক অবসাদও। যা থেকে জন্ম নেয় নানাবিধ বড় বড় রোগ।
৫। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে হতে পারে মারাত্মক হজমের সমস্যাসহ অন্যান্য পেটের অসুখ।
৬। দিনের পর দিন অনিদ্রার সমস্যা ডায়বেটিসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
৭। দিনের পর দিন পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে কোষ্ঠকাঠিন্য বা অর্শরোগের ঝুঁকিও বাড়ে।
৮। পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে তা ত্বকের পক্ষেও বেশ ক্ষতিকর। দিনের পর দিন ঘুম কম হলে, ত্বক শুষ্ক-রুক্ষ হয়ে পড়ে। কালো ছোপ পড়ে যায়। চোখের নিচে কালি পড়ে।
৯। কম ঘুম হলে মুখে ব্রণ, মেছতা, ফুসকুড়িও উঠতে পারে।
তাই এই সমস্ত রোগ থেকে শরীরকে বাঁচাতে প্রতিদিন অবশ্যই ৬-৭ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনে ৬ ঘণ্টা ঘুমই যথেষ্ট। তার চেয়ে আধ ঘণ্টা এগিক-ওদিক হতে পারে। কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত ঘুম মোটেই স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়।

No comments:

Post a Comment

বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি। সাবলীল অভিনয় আর মিষ্টি হাসি দিয়ে ইতোমধ্যে ভক্তদের মনের রানী হয়ে আছেন এই না...