অভিনেত্রী হিসেবেই নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। অভিনয়ের পাশাপাশি ছবি প্রযোজনাও করেছেন তিনি।
সামাজিক দায়িত্বের কথাও সব সময় মনে রেখেছেন এ অভিনেত্রী। সম্প্রতি ‘দ্য ন্যাশনাল গার্ল চাইল্ড ডে’ উপলক্ষে নিজের মেয়ের সঙ্গে একটি ছবি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেছেন তিনি। দিয়েছেন একটি বিশেষ বার্তাও। ঋতুপর্ণার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ঘুরে দেখা গেছে, মেয়ে ঋষণার সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেছেন তিনি।
ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমি মেয়ে হিসেবে জন্মেছি বলে গর্বিত। ঋষণা যখন আমার জীবনে এলো, একজন মহিলা হিসেবে সে মুহূর্তটাও খুব গর্বের ছিল। কন্যা সন্তানের ক্ষমতায়নের জন্য জাতিগতভাবে আমাদের একসঙ্গে দাঁড়ানো উচিত।’ ওপার বাংলায় প্রতিবছর ২৪ জানুয়ারি পালিত হয় ‘দ্য ন্যাশনাল গার্ল চাইল্ড ডে’।
সে দেশে এখনো কন্যাভ্রুণ হত্যার মতো ঘটনা ঘটে প্রতিনিয়ত। মেয়েরা এখনো পিছিয়ে পড়া শ্রেণি। সেই ভাবনার বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের মতামত শেয়ার করেছেন ঋতুপর্ণা। ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। এদিকে, ৮ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাচ্ছে ঋতুপর্ণা অভিনীত নতুন ছবি ‘আহা রে’।
রঞ্জন ঘোষের কাহিনী, চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় এ ছবিতে ঋতুপর্ণার বিপরীতে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ। এ ছাড়া ছবিতে আরো অভিনয় করেছেন পরান বন্দ্যোপাধ্যয়, দীপঙ্কর দে, শকুন্তলা বড়ুয়া, অমৃতা চট্টোপাধ্যায়, অনুভব পাল প্রমুখ।
25 Jan 2019
বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে কর্মচারী-নার্সদের সংঘর্ষ
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে(বিএসএমএমইউ) চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও নার্সদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের
জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার
(২৪ জানুয়ারি)
সকালে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, একজন নার্স ও একজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর মধ্যে ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের
কারণে হাতাহাতির
ঘটনা ঘটে।
আর এতে মুহূর্তের মধ্যেই নার্স ও কর্মচারীরা সংঘবদ্ধ হয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
আনতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মরত আনসার সদস্য ও শাহবাগ থানার পুলিশ নিযুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। জানা গেছে, ওই দুই ব্যক্তির মধ্যে ইতিপূর্বে
ব্যক্তিগত কারণে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আজকের এই ঘটনার সূত্রপাত।
বিষয়ে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোজাফফর আহমেদ বলেন, একজন নার্স ও কর্মচারীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে এটি তেমন কোনো জটিল সমস্যা নয়। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের
মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি
এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে। এ বিষয়ে শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
(ওসি) আবুল হাসান জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েছে। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ কাজ করছে।
4 Nov 2018
আঁচিল দূর করার ৭টি কার্যকরী উপায় জেনে নিন
আঁচিল দূর করার ৭টি কার্যকরী উপায়
আঁচিলের মতো বিব্রতকর ত্বক সমস্যা দূর করে দিতে পারে ঘরোয়া উপাদান। কীভাবে? জেনে নিন উপায়গুলো।
ত্বকের বিব্রতকর একটি সমস্যা হলো আঁচিল। ছোট, নরম এটি ত্বকের যে কোনো স্থানে হতে পারে। এটি সাধারণত তেমন কোনো ক্ষতি করে না। রঞ্জক কোষ একত্রিত হয়ে ত্বকে কালো দাগ সৃষ্টি করে, যা আঁচিল নামে পরিচিত। এটি সাধারণত বাদামী, কালো, লাল, গোলাপি বা একই রঙের হতে দেখা যায়। আঁচিলের আকার, আকৃতি এবং রঙ একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়। আঁচিল দূর করার জন্য নানা রকমের ঔষধ ব্যবহার করা হয়। লেজার বা অন্য চিকিৎসাও করা হয়। তবে ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এমন কিছু কার্যকরী ঘরোয়া উপায় নিয়ে আজকের ফিচার।
১। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার
আঁচিল দূর করতে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার বেশ কার্যকর। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের অ্যাসিড আঁচিলের কোষ ভেঙ্গে দিয়ে আঁচিল দূর করে দেয়। একটি তুলোর বল অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারে ভিজিয়ে নিন। এটি আঁচিলের উপর ম্যাসাজ করে লাগান। তিন বা চার ঘন্টা পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি দিনে তিন থেকে চার বার ব্যবহার করুন। এভাবে দুই থেকে চার সপ্তাহ ব্যবহার করুন।
২। টি ট্রি অয়েল
টি ট্রি অয়েলের অ্যাসিড ধীরে ধীরে আঁচিল দূর করে দেয়। এর অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ত্বক ইনফেকশন দূর করে দেয়। একটি তুলোর বল পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এবার এটি টি ট্রি অয়েলে ভিজিয়ে নিন। এটি আঁচিলের উপর লাগান। কয়েক ঘন্টা এভাবে রেখে দিন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি দিনে তিনবার ব্যবহার করুন। সেনসিটিভ ত্বকের অধিকারীরা সমপরিমাণ পানি এবং টি ট্রি অয়েল একসাথে মিশিয়ে নিন।
৩। ক্যাস্টর অয়েল
দুই অংশ ক্যাস্টর অয়েল এবং এক অংশ বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে নিন। এরসাথে লেমন অয়েল অথবা পিপারমেন্ট অয়েল মেশান। এই মিশ্রণটি আঁচিলের উপর ব্যবহার করুন। এভাবে সারা রাত থাকুন। পরের দিন কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন ব্যবহার করুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পরিবর্তন দেখতে পাবেন।
৪। রসুন
কয়েকটি রসুনের কোয়া কুচি করে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ত্বকের আঁচিলের উপর ব্যবহার করুন। একটি ব্যান্ডেজ দিয়ে স্থানটি পেঁচিয়ে রাখুন। সারারাত এভাবে থাকুন, পরের দিন সকালে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন এটি ব্যবহার করুন।
৫। কলার খোসা
কলার খোসার ভিতরের অংশটি বের করে পেস্ট তৈরি করুন। এটি আঁচিলের উপর ব্যবহার করুন। এরপর একটি ব্যান্ডেজ দিয়ে পেঁচিয়ে রাখুন। সারারাত এভাবে থাকুন। পরের দিন সকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কলার খোসার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আঁচিলে প্রাকৃতিকভাবে দূর করতে সাহায্য করে।
৬। পেঁয়াজের রস
পেঁয়াজ কুচি করে কেটে নিন। এটি একটি পাত্র পেঁয়াজ কুচি এবং আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে সারারাত ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। সারারাত এটি এভাবে রেখে দিন। পরের দিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে এটি আঁচিলের উপর ব্যবহার করুন। পরের দিন সকালে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিরাতে এটি ব্যবহার করুন।
৭। অ্যালোভেরা জেল
অ্যালোভেরা ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। ত্বকের আঁচিলের উপর কিছু পরিমাণ অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। ত্বক সম্পূর্ণ জেল শুষে নেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এটি দিনে তিনবার দুই সপ্তাহ ব্যবহার করুন।
সূত্র: টপ টেন হোম রিমিডিস
সম্পাদনা : রুমানা বৈশাখী
3 Nov 2018
মেয়েদের পায়ে নূপুর পরার বিধান কি?
মেয়েদের পায়ে নূপুর পরার বিধান কি?
ইসলামে নারীদের সাজসজ্জা এবং অলংকার পরার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়েছে। তবে ইসলাম নির্ধারিত শর্তাবলী মেনে তা করতে হবে।
যেমন, পর পুরুষের সামনে সাজসজ্জা, অলংকারাদি, শরীর বা পোশাকের সৌন্দর্য প্রকাশ করা যাবে না এবং এতে শরিয়া বিরোধী বা হারাম এর মিশ্রণ থাকা চলবে না।
সুতরাং একজন মুসলিম নারী পায়ের নূপুর পরিধান করতে পারে। তবে শর্ত হল, তাতে বাজনা থাকা যাবে না এবং তা পর পুরুষদের সামনে প্রকাশ করা যাবে না।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
ولا يَضْرِبْنَ بأرجُلِهِنّ لِيُعْلَمَ ما يُخْفِين من زِينَتِهِنّ
“আর তাদের পা দিয়ে যেন তারা আঘাত না করে যাতে তাদের অলংকারের যা লুকিয়ে আছে তা জানানো যায়।” (সূরা নূর এর ৩১ নং আয়াত)
তবে স্বামী, মাহরাম পুরুষ অথবা মহিলা অঙ্গনে; পরলে তাতে কোন সমস্যা নেই।
◍ বাজনাদার নূপুর পড়া বৈধ নয়:
🔰একদিন মা আয়েশা রা. এর নিকট কোনও এক বালিকা বাজনাদার নূপুর পরে আসলে তিনি তাকে বললেন: খবরদার! তা কেটে না ফেলা পর্যন্ত আমার ঘরে প্রবেশ করবে না। অতঃপর তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “যে ঘরে ঘণ্টি থাকে সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না।’
(সুনানে আবু দাউদ হাদিস : ৪২৩১; সুনানে নাসাঈ
হাদিস : ৫২৩৭)
🔰সহীহ মুসলিমে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “ঘণ্টি, বাজা,
ঘুঙুর হল, শয়তানের বাদ্যযন্ত্র।” (সহীহ মুসলিম
হাদিস : ২১১৪) আল্লাহু আলাম
▬▬▬▬ ◈◈◈▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব
ইসলামে নারীদের সাজসজ্জা এবং অলংকার পরার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়েছে। তবে ইসলাম নির্ধারিত শর্তাবলী মেনে তা করতে হবে।
যেমন, পর পুরুষের সামনে সাজসজ্জা, অলংকারাদি, শরীর বা পোশাকের সৌন্দর্য প্রকাশ করা যাবে না এবং এতে শরিয়া বিরোধী বা হারাম এর মিশ্রণ থাকা চলবে না।
সুতরাং একজন মুসলিম নারী পায়ের নূপুর পরিধান করতে পারে। তবে শর্ত হল, তাতে বাজনা থাকা যাবে না এবং তা পর পুরুষদের সামনে প্রকাশ করা যাবে না।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
ولا يَضْرِبْنَ بأرجُلِهِنّ لِيُعْلَمَ ما يُخْفِين من زِينَتِهِنّ
“আর তাদের পা দিয়ে যেন তারা আঘাত না করে যাতে তাদের অলংকারের যা লুকিয়ে আছে তা জানানো যায়।” (সূরা নূর এর ৩১ নং আয়াত)
তবে স্বামী, মাহরাম পুরুষ অথবা মহিলা অঙ্গনে; পরলে তাতে কোন সমস্যা নেই।
◍ বাজনাদার নূপুর পড়া বৈধ নয়:
🔰একদিন মা আয়েশা রা. এর নিকট কোনও এক বালিকা বাজনাদার নূপুর পরে আসলে তিনি তাকে বললেন: খবরদার! তা কেটে না ফেলা পর্যন্ত আমার ঘরে প্রবেশ করবে না। অতঃপর তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “যে ঘরে ঘণ্টি থাকে সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না।’
(সুনানে আবু দাউদ হাদিস : ৪২৩১; সুনানে নাসাঈ
হাদিস : ৫২৩৭)
🔰সহীহ মুসলিমে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “ঘণ্টি, বাজা,
ঘুঙুর হল, শয়তানের বাদ্যযন্ত্র।” (সহীহ মুসলিম
হাদিস : ২১১৪) আল্লাহু আলাম
▬▬▬▬ ◈◈◈▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব
29 Oct 2018
যেখানেই থাক, যেভাবেই থাক, ভালো থাকুক সবার ভালোবাসা।
মেয়েটা যখন সংসার সামলায় ছেলেটা তখনো গিটার বাজায়।
গিটারের দুটো তার কেটে যায়। নতুন তার কিনতে টাকা লাগবে। এই বয়সে আর গিটারের তার কেনার কথা বাসায় বলা যায় না। ছেলেটার গিটারে আর ভালো সুর ওঠে না। ক্লান্ত দুপুরগুলোতে এখন আর কেউ মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে গিটারের টুং-টাং শোনে না। এখন আর কাউকে বিশেষ দরকারও পড়ে না অবশ্য!
আরো কিছুদিন কেটে যায়। মেয়েটা বাচ্চাকে নিয়ে স্কুলে যায়। ছেলেটা বাইকে করে অফিসে যায়। রাস্তায় দেখা হয়ে যায় আবার। হাসি-হাসি মুখে দু’জনই দু’চারটা কথা বলে, চলে যায়। এখন দু’জনেরই ব্যস্ততা আছে। ব্যস্ততার মধ্যে ভালোবাসা থাকে না। ভালোবাসা ব্যস্ততা পছন্দ করে না। ব্যস্ত মানুষদের জন্য ভালোবাসা নয়। ভালোবাসা হচ্ছে 'বেকার' নামক অফুরন্ত সময় বিশিষ্ট সুন্দর মানুষদের জন্য।
মধ্যরাতে মেয়েটার ফোনে একটি মেসেজ আসে, যেখানে কয়েকটি শব্দে লেখা—
“Thank you, for letting me love you.”
মেয়েটার ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসি। সে জবাব দেয়—
“And… thank you, for loving me.”
অপরদিকে ছেলেটাও হাসছে। তৃপ্তির হাসি। তৃপ্তির হাসিতে শব্দ থাকে না।
ভালোবাসায় কখনো হার-জিত থাকে না। ভালোবাসায় লাভ-লোকসান থাকে না , কারণ ভালোবাসার সঙ্গে 'রুম-ডেট' নামক শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
ভালোবাসা কেএফসি, পিৎজা হাটের এয়ার কন্ডিশনারে ঢুকতে প্রচণ্ড সংকোচ বোধ করে। ভালোবাসা বরং রাস্তার ধারে তারা মামার গরম চটপটিতে ভীষণ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে এবং ভালোবাসা কখনো শেষ হয়ে যায় না। ভালোবাসা কখনো শহুরে রাস্তার সোডিয়াম বাতির হলুদ আলোর নিচে ঘুরে ফিরে বেড়ায়, কখনো অজ-পাড়াগাঁয়ের কোনো শান্ত দিঘীর পাড়ে একলা বসে জোছনা দেখে।
যেখানেই থাক, যেভাবেই থাক, ভালো থাকুক সবার ভালোবাসা।
27 Oct 2018
বিপদে পড়লে মহানবী (সাঃ) যে ৩টি দোয়া পাঠ করতে বলেছেন
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মহান আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠাকালে বহু বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন। বেশ কয়েকবার কাফেরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে। অনেক জুলুম, অন্যায়, অত্যাচার পাড়ি দিয়ে তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিপদের সময় মহানবী (সা.) যে ৩টি দোয়া পাঠ করতেন সেই দোয়াগুলো উম্মতদেরও পাঠ করাতে বলেছেন। দোয়া ৩টি হলো–
১। সাদ ইবনে আবি ওক্কাস রা. বলেন, নবীজি সা. দুঃখ-কষ্টের সময় বলতেন : লা-ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন। (দোয়া ইউনূস) অর্থ : একমাত্র তুমি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। নিশ্চয়ই আমি সীমালঙ্ঘনকারী। (তিরমিজি : ৩৫০০)
২। আসমা বিনতে ওমাইর রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেন, আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দেব না যা তুমি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানির মধ্যে পড়বে। সাহাবী বললেন, অবশ্যই শেখাবেন। নবীজি বললেন, দোয়াটি হচ্ছে : ‘আল্লাহু আল্লাহ রব্বী লা উশরিকু বিহি শাইয়ান।’ অর্থ : আল্লাহই আল্লাহ আমার প্রতিপালক। আমি তার সঙ্গে কোনো কিছু শরিক করি না। (আবু দাউদ : ১৫২৫)
৩। আনাস রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেন : আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জায়ালতাহু সাহলান, ওআনতা তাজআলুল হুযনা সাহলান ইযা শিইতা। অর্থ : ইয়া আল্লাহ, কোনো বিষয় সহজ নয়। হ্যাঁ, যাকে তুমি সহজ করে দাও। যখন তুমি চাও তখন তুমি মুশকিলকে সহজ করে দাও। (ইবনে হিব্বান : ৯৭৪)
অসাধারণ লাঠি খেলা দেখুন...
অসাধারণ লাঠি খেলা দেখুন...
অসাধারণ লাঠি খেলা দেখুন...
অসাধারণ লাঠি খেলা দেখুন...
অসাধারণ লাঠি খেলা দেখুন...
Subscribe to:
Posts (Atom)
বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি
ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি। সাবলীল অভিনয় আর মিষ্টি হাসি দিয়ে ইতোমধ্যে ভক্তদের মনের রানী হয়ে আছেন এই না...


