4 Nov 2018

আঁচিল দূর করার ৭টি কার্যকরী উপায় জেনে নিন

আঁচিল দূর করার ৭টি কার্যকরী উপায়

আঁচিলের মতো বিব্রতকর ত্বক সমস্যা দূর করে দিতে পারে ঘরোয়া উপাদান। কীভাবে? জেনে নিন উপায়গুলো।

ত্বকের বিব্রতকর একটি সমস্যা হলো আঁচিল। ছোট, নরম এটি ত্বকের যে কোনো স্থানে হতে পারে। এটি সাধারণত তেমন কোনো ক্ষতি করে না। রঞ্জক কোষ একত্রিত হয়ে ত্বকে কালো দাগ সৃষ্টি করে, যা আঁচিল নামে পরিচিত। এটি সাধারণত বাদামীকালোলালগোলাপি বা একই রঙের হতে দেখা যায়। আঁচিলের আকারআকৃতি এবং রঙ একেক জনের ক্ষেত্রে একেক রকম হয়। আঁচিল দূর করার জন্য নানা  রকমের ঔষধ ব্যবহার করা হয়। লেজার বা অন্য চিকিৎসাও করা হয়। তবে ঘরোয়া কিছু উপায়ে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এমন কিছু কার্যকরী ঘরোয়া উপায় নিয়ে আজকের ফিচার।



১। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার
আঁচিল দূর করতে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার বেশ কার্যকর। অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারের অ্যাসিড আঁচিলের কোষ ভেঙ্গে দিয়ে আঁচিল দূর করে দেয়। একটি তুলোর বল অ্যাপেল সাইডার ভিনেগারে ভিজিয়ে নিন। এটি আঁচিলের উপর ম্যাসাজ করে লাগান। তিন বা চার ঘন্টা পর কুসুম গরম পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এটি দিনে তিন থেকে চার বার ব্যবহার করুন। এভাবে দুই থেকে চার সপ্তাহ ব্যবহার করুন।
২। টি ট্রি অয়েল
টি ট্রি অয়েলের অ্যাসিড ধীরে ধীরে আঁচিল দূর করে দেয়। এর অ্যান্টিসেপটিক উপাদান ত্বক ইনফেকশন দূর করে দেয়। একটি তুলোর বল পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। এবার এটি টি ট্রি অয়েলে ভিজিয়ে নিন। এটি আঁচিলের উপর লাগান। কয়েক ঘন্টা এভাবে রেখে দিন। তারপর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি দিনে তিনবার ব্যবহার করুন। সেনসিটিভ ত্বকের অধিকারীরা সমপরিমাণ পানি এবং টি ট্রি অয়েল একসাথে মিশিয়ে নিন।
৩। ক্যাস্টর অয়েল
দুই অংশ ক্যাস্টর অয়েল এবং এক অংশ বেকিং সোডা একসাথে মিশিয়ে নিন। এরসাথে লেমন অয়েল অথবা পিপারমেন্ট অয়েল মেশান। এই মিশ্রণটি আঁচিলের উপর ব্যবহার করুন। এভাবে সারা রাত থাকুন। পরের দিন কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি প্রতিদিন ব্যবহার করুন। কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পরিবর্তন দেখতে পাবেন।
৪। রসুন
কয়েকটি রসুনের কোয়া কুচি করে পেস্ট তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ত্বকের আঁচিলের উপর ব্যবহার করুন। একটি ব্যান্ডেজ দিয়ে স্থানটি পেঁচিয়ে রাখুন। সারারাত এভাবে থাকুন, পরের দিন সকালে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিন এটি ব্যবহার করুন।
৫। কলার খোসা
কলার খোসার ভিতরের অংশটি বের করে পেস্ট তৈরি করুন। এটি আঁচিলের উপর ব্যবহার করুন। এরপর একটি ব্যান্ডেজ দিয়ে পেঁচিয়ে রাখুন। সারারাত এভাবে থাকুন। পরের দিন সকালে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। কলার খোসার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট আঁচিলে প্রাকৃতিকভাবে দূর করতে সাহায্য করে।
৬। পেঁয়াজের রস
পেঁয়াজ কুচি করে কেটে নিন। এটি একটি পাত্র পেঁয়াজ কুচি এবং আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে সারারাত ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। সারারাত এটি এভাবে রেখে দিন। পরের দিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে এটি আঁচিলের উপর ব্যবহার করুন। পরের দিন সকালে কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিরাতে এটি ব্যবহার করুন।
৭। অ্যালোভেরা জেল
অ্যালোভেরা ত্বকের জন্য বেশ উপকারী। ত্বকের আঁচিলের উপর কিছু পরিমাণ অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে ম্যাসাজ করুন। ত্বক সম্পূর্ণ জেল শুষে নেওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এটি দিনে তিনবার দুই সপ্তাহ ব্যবহার করুন।
সূত্রটপ টেন হোম রিমিডিস
সম্পাদনা : রুমানা বৈশাখী 

3 Nov 2018

মেয়েদের পায়ে নূপুর পরার বিধান কি?

মেয়েদের পায়ে নূপুর পরার বিধান কি?

ইসলামে নারীদের সাজসজ্জা এবং অলংকার পরার ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়েছে। তবে ইসলাম নির্ধারিত শর্তাবলী মেনে তা করতে হবে।


যেমন, পর পুরুষের সামনে সাজসজ্জা, অলংকারাদি, শরীর বা পোশাকের সৌন্দর্য প্রকাশ করা যাবে না এবং এতে শরিয়া বিরোধী বা হারাম এর মিশ্রণ থাকা চলবে না।
সুতরাং একজন মুসলিম নারী পায়ের নূপুর পরিধান করতে পারে‌। তবে শর্ত হল, তাতে বাজনা থাকা যাবে না এবং তা পর পুরুষদের সামনে প্রকাশ করা যাবে না।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
ولا يَضْرِبْنَ بأرجُلِهِنّ لِيُعْلَمَ ما يُخْفِين من زِينَتِهِنّ
“আর তাদের পা দিয়ে যেন তারা আঘাত না করে যাতে তাদের অলংকারের যা লুকিয়ে আছে তা জানানো যায়।” (সূরা নূর এর ৩১ নং আয়াত)
তবে স্বামী, মাহরাম পুরুষ অথবা মহিলা অঙ্গনে; পরলে তাতে কোন সমস্যা নেই।

◍ বাজনাদার নূপুর পড়া বৈধ নয়:

🔰একদিন মা আয়েশা রা. এর নিকট কোনও এক বালিকা বাজনাদার নূপুর পরে আসলে তিনি তাকে বললেন: খবরদার! তা কেটে না ফেলা পর্যন্ত আমার ঘরে প্রবেশ করবে না। অতঃপর তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, “যে ঘরে ঘণ্টি থাকে সে ঘরে রহমতের ফেরেশতা প্রবেশ করে না।’
(সুনানে আবু দাউদ হাদিস : ৪২৩১; সুনানে নাসাঈ
হাদিস : ৫২৩৭)
🔰সহীহ মুসলিমে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: “ঘণ্টি, বাজা,
ঘুঙুর হল,‌ শয়তানের বাদ্যযন্ত্র।” (সহীহ মুসলিম
হাদিস : ২১১৪) আল্লাহু আলাম
▬▬▬▬ ◈◈◈▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানী
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব

29 Oct 2018

যেখানেই থাক, যেভাবেই থাক, ভালো থাকুক সবার ভালোবাসা।

মেয়েটা যখন সংসার সামলায় ছেলেটা তখনো গিটার বাজায়।
গিটারের দুটো তার কেটে যায়। নতুন তার কিনতে টাকা লাগবে। এই বয়সে আর গিটারের তার কেনার কথা বাসায় বলা যায় না। ছেলেটার গিটারে আর ভালো সুর ওঠে না। ক্লান্ত দুপুরগুলোতে এখন আর কেউ মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে গিটারের টুং-টাং শোনে না। এখন আর কাউকে বিশেষ দরকারও পড়ে না অবশ্য!


আরো কিছুদিন কেটে যায়। মেয়েটা বাচ্চাকে নিয়ে স্কুলে যায়। ছেলেটা বাইকে করে অফিসে যায়। রাস্তায় দেখা হয়ে যায় আবার। হাসি-হাসি মুখে দু’জনই দু’চারটা কথা বলে, চলে যায়। এখন দু’জনেরই ব্যস্ততা আছে। ব্যস্ততার মধ্যে ভালোবাসা থাকে না। ভালোবাসা ব্যস্ততা পছন্দ করে না। ব্যস্ত মানুষদের জন্য ভালোবাসা নয়। ভালোবাসা হচ্ছে 'বেকার' নামক অফুরন্ত সময় বিশিষ্ট সুন্দর মানুষদের জন্য।


মধ্যরাতে মেয়েটার ফোনে একটি মেসেজ আসে, যেখানে কয়েকটি শব্দে লেখা—
“Thank you, for letting me love you.”
মেয়েটার ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসি। সে জবাব দেয়
“And… thank you, for loving me.”
অপরদিকে ছেলেটাও হাসছে। তৃপ্তির হাসি। তৃপ্তির হাসিতে শব্দ থাকে না।
ভালোবাসায় কখনো হার-জিত থাকে না। ভালোবাসায় লাভ-লোকসান থাকে না , কারণ ভালোবাসার সঙ্গে 'রুম-ডেট' নামক শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই।
ভালোবাসা কেএফসি, পিৎজা হাটের এয়ার কন্ডিশনারে ঢুকতে প্রচণ্ড সংকোচ বোধ করে। ভালোবাসা বরং রাস্তার ধারে তারা মামার গরম চটপটিতে ভীষণ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে এবং ভালোবাসা কখনো শেষ হয়ে যায় না। ভালোবাসা কখনো শহুরে রাস্তার সোডিয়াম বাতির হলুদ আলোর নিচে ঘুরে ফিরে বেড়ায়, কখনো অজ-পাড়াগাঁয়ের কোনো শান্ত দিঘীর পাড়ে একলা বসে জোছনা দেখে।
যেখানেই থাক, যেভাবেই থাক, ভালো থাকুক সবার ভালোবাসা।

27 Oct 2018

বিপদে পড়লে মহানবী (সাঃ) যে ৩টি দোয়া পাঠ করতে বলেছেন



আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মহান আল্লাহর দীন প্রতিষ্ঠাকালে বহু বিপদের সম্মুখীন হয়েছেন। বেশ কয়েকবার কাফেরদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হয়েছে। অনেক জুলুম, অন্যায়, অত্যাচার পাড়ি দিয়ে তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিপদের সময় মহানবী (সা.) যে ৩টি দোয়া পাঠ করতেন সেই দোয়াগুলো উম্মতদেরও পাঠ করাতে বলেছেন। দোয়া ৩টি হলো–

১। সাদ ইবনে আবি ওক্কাস রা. বলেন, নবীজি সা. দুঃখ-কষ্টের সময় বলতেন : লা-ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন। (দোয়া ইউনূস) অর্থ : একমাত্র তুমি ছাড়া কোনো মাবুদ নেই। তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। নিশ্চয়ই আমি সীমালঙ্ঘনকারী। (তিরমিজি : ৩৫০০)

২। আসমা বিনতে ওমাইর রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেন, আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দেব না যা তুমি দুশ্চিন্তা ও পেরেশানির মধ্যে পড়বে। সাহাবী বললেন, অবশ্যই শেখাবেন। নবীজি বললেন, দোয়াটি হচ্ছে : ‘আল্লাহু আল্লাহ রব্বী লা উশরিকু বিহি শাইয়ান।’ অর্থ : আল্লাহই আল্লাহ আমার প্রতিপালক। আমি তার সঙ্গে কোনো কিছু শরিক করি না। (আবু দাউদ : ১৫২৫)
৩। আনাস রা. থেকে বর্ণিত, নবীজি সা. বলেন : আল্লাহুম্মা লা সাহলা ইল্লা মা জায়ালতাহু সাহলান, ওআনতা তাজআলুল হুযনা সাহলান ইযা শিইতা। অর্থ : ইয়া আল্লাহ, কোনো বিষয় সহজ নয়। হ্যাঁ, যাকে তুমি সহজ করে দাও। যখন তুমি চাও তখন তুমি মুশকিলকে সহজ করে দাও। (ইবনে হিব্বান : ৯৭৪)

অসাধারণ লাঠি খেলা দেখুন...



অসাধারণ লাঠি খেলা দেখুন...
অসাধারণ লাঠি খেলা দেখুন...


অসাধারণ লাঠি খেলা দেখুন...
অসাধারণ লাঠি খেলা দেখুন...



রোগ মোকাবিলায় আমলকীর যত গুনাগুণ



আমলকী আমাদের নানা রোগ মোকাবিলায় সাহায্য করে। নিয়মিত আমলকির জুস পানে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে, হজম ভাল হয়, কোলেস্টেরল ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা কমে। ত্বকের বয়স হওয়া প্রতিরোধ করে ত্বকে জৌলুসও আনে আমলকি।

এর জন্য আমলকি থেকে তৈরি করা জুসেরও রয়েছে সমান উপকারিতা। আমলকির জুস লিভারের কার্যক্রম ভালো রাখে, হৃদপিণ্ড ভালো রাখতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এর আছে আরো অনেক গুণ। এনডিটিভির স্বাস্থ্য বিভাগে জানানো হয়েছে আমলকির জুসের আট উপকারের কথা।

১. ওজন ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ ডা. গার্জি শর্মার মতে, ফ্লু ও কফ দূর করতে আমলকির জুস বেশ শক্তিশালী ঘরোয়া ওষুধ। দুই চা চামচ আমলকির রস মধু দিয়ে প্রতিদিন খেলে কফ ও ঠান্ডা প্রতিরোধ হয়। পানির মধ্যে এক চা চামচ রস নিয়ে দুই বেলা গার্গল করলে মুখের আলসার দূর হয়।

২. নিয়মিত আমলকির জুস খেলে শরীরের বাজে কোলেস্টেরল কমে। এর মধ্যে থাকা এমাইনো এসিড ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হৃদপিণ্ডের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।

৩. এটি ডায়াবেটিস রোগীদের বেশ উপকার করে। এ ছাড়া অ্যাজমা কমাতেও সাহায্য করে।

৪. বিশেষজ্ঞরা বলেন, এলকেলাইন প্রকৃতির জন্য হজমকে ভালো করে এবং শরীর পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।

৫. এটি লিভারের কার্যক্রম ভালো রাখে এবং শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়।

৬. ভিটামিন সি বাদেও এর মধ্যে রয়েছে আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফসফরাসের জন্য এটি একটি পুষ্টিকর পানীয়ও বটে।

৭. আমলার মধ্যে থাকা এমাইনো এসিড ও প্রোটিন চুল বৃদ্ধিতে সাহায্য করে; এটি চুলপড়া প্রতিরোধ করে।

৮. আমলকির রস তুলায় ভিজিয়ে মুখে লাগান। এতে দাগ, ব্রণ দূর হবে। এ ছাড়া আমলকির জুস মুখের ছিদ্রভাব দূর করে।

পুরুষেরা কেন গাঁজর খাবেন?


গাজর আমরা মূলত সবজি অথবা সালাদ হিসেবে খেয়ে থাকি। কিন্তু আপনে জানেন কি এর মধ্যে রয়েছে মহা ঔষধি গুন। কারণ পুরুষের সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা বৃদ্ধি করে গাজর। এছাড়াও তাদের বীর্যকে পুনরুজ্জ্বীবিত করতেও ভূমিকা রাখে গাজর। সম্প্রতি গবেষণায় এমন তথ্যই বেরিয়ে এসেছে। তারা এও বলেছেন যে, যে কোন কমলা ও হলুদ রঙ্গের সব ফলই পুরুষের সন্তান উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ায়।
তাছাড়া গবেষকরা বলেন, যে কোন রঙ্গীন ফল ও সবজিই পুরুষের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। তবে অন্যান্য রঙ্গীন ফলের চেয়ে এক্ষেত্রে গাজর সর্বাধিক কাজ করে। গবেষকদের মতে, গাজরে আছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা পুরুষের শরীরে ডিমের চেয়েও বেশি কাজ করে। একটি ডিমের চেয়ে একটি গাজর সর্বোচ্চ আট শতাংশ বেশি কাজ করতে সক্ষম বলে জানান তারা।
এদিকে গবেষকরা ১৮৯ জন কলেজে পড়া তরুণদের মধ্যে গবেষণা চালিয়ে এমন তথ্য আবিষ্কার করেছেন। আর এই গবেষণাটির নাম দেয়া হয়েছে, সিমেন কোয়ালিটি ইন রিলেশন টু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ইনটেক ইন আ হেলদি মেন পপুলেশন। আর গবেষণার ফলাফলও তারা ফার্টিলিটি অ্যান্ড স্টেরিলিটি নামের একটি জার্নালে প্রকাশ করেছে। গবেষকরা বলেন, স্পিনাক এক ধরনের শাক ও লেসুস পাতায়ও রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট।

তাই এগুলাও পুরুষের বীর্যকে সক্রিয় রাখতে ভূমিকা রাখে। তবে এক্ষেত্রে টমেটোর বিষয় আলাদা। টমেটোতে রয়েছে নিন্মমাত্রার অ্যান্টি অক্সিডেন্ট তাই এটা এক্ষেত্রে জোড়ালো ভূমিকা রাখে না। তবে এটা গবেষণায় প্রকাশিত হলেও প্রানিবিজ্ঞানে টমেটোকে সন্তান জন্মদানের ক্ষমতা বৃদ্ধির উপযোগি সবজি ধরা হয়েছে বলে জানান গবেষকরা।

বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি

ঢাকাই চলচ্চিত্রের বর্তমান প্রজন্মের অন্যতম জনপ্রিয় নায়িকা পরীমনি। সাবলীল অভিনয় আর মিষ্টি হাসি দিয়ে ইতোমধ্যে ভক্তদের মনের রানী হয়ে আছেন এই না...